eibela24.com
রবিবার, ০৫, ডিসেম্বর, ২০২১
 

 
মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ফটো রানী অসহায়ত্বের গ্লানি নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন
আপডেট: ১১:০৭ pm ১২-১০-২০২০
 
 


সীতাকুণ্ডে মাথা গোঁজার একখানা ঘরের অভাবে এক মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী ফটো রানী(৭০) অসহায়ত্বের গ্লানি নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন। কেউ খোঁজ খবরও নেয় না তার।

জানা যায়, উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের অধিবাসী মুক্তিযোদ্ধা জুগেশ্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেন। দেশ স্বাধীনের এক বছর পর তিনি মারা যান। এরপর থেকে তার স্ত্রীর জীবনে নেমে আসে ঘোর অমানিশা। ফটো রানীর ১০ শতক জমি থাকা স্বত্বেও ঘরের অভাবে ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। সে অসহায় হয়ে বেঁচে নেয় কাঁচা তরকারী বিক্রি করা। এতে করে ফটো রানী তার একমাত্র প্রতিবন্ধী মেয়ে শিল্পী রানীকে নিয়ে কোন রকমে জীবন অতিবাহিত করেন। মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর তার ঘরে দুইটি সন্তান জন্ম নেয়ার পর স্বামী তাদেরকে রেখে নিরুদ্দেশ হয়ে গেলে আরো বিপদে পড়ে যায় ফটো রানী। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতা ঘোষণা করলে তার মনে কিছুটা স্বস্তি নেমে আসে। পরে বর্তমান সরকার আবার ক্ষমতায় এসে ভাতা বাড়ালে সে তরকারির ব্যবসা বয়সের টানে ছেড়ে দেয়। এরপর থেকে সে তার প্রতিবন্ধী মেয়ে ও দুই নাতিকে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা দিয়ে কোন রকম জীবন ধারণ করে আসছে।

ফটো রানী বলেন, আমার স্বামী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাই বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ঘর তৈরি করে দেয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন তা যেন আমি পাই এবং ইউএনও সাহেবের কাছেও আমার আকুল আবেদন তিনি যেন এই অসহায় বিধবাকে একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেন।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায় বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে এবং অসহায়দের জন্য ঘর তৈরি করে দেয়া হবে।

নি এম/