eibela24.com
শুক্রবার, ০৪, ডিসেম্বর, ২০২০
 

 
ঝালকাঠিতে সহকারী প্রধান শিক্ষকের অবৈধভাবে নিয়োগ
আপডেট: ১১:০২ pm ০৮-০৯-২০২০
 
 


ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চেঁচরীরামপুর এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক তথ্য গোপন করে অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়ায় সরোয়ার হোসেনের বেতন ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে তাঁর বেতন ভাতা বন্ধ করে দেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান। 

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  চূড়ান্ত অডিট রিপোর্টে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপপরিচালক সৈয়দ জাফর আলী ও সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মুহাম্মদ মনিরুল আলম স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, সহকারী প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেন প্রথমে জুনিয়র শারীরিক শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেন। চাকরিরত অবস্থায় তিনি উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৭ সালের ৩০ এপ্রিল বিএ পাস করেন। তখনও তিনি সহকারী শিক্ষকের বেতনভুক্ত হননি। কিন্তু চেঁচরীরামপুর বিদ্যালয়ে তিনি যখন সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে আবেদন করেন, তখনও তিনি জুনিয়র শিক্ষক ছিলেন। বিএ পাস থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে চেঁচরীরামপুর বিদ্যালয়ে যোগদানের পূর্ব পর্যন্ত তাঁর ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ছিল না। ২০১৩ সালের ২৪ মার্চের সংশোধিত নীতিমালায় বলা আছে, সহকারী প্রধান শিক্ষক হতে হলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাঁর নিয়োগ বিধিসম্মত না হওয়ায় তিনি কোন সরকারি বেতন ভাতা পাবেন না।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, সরকারি নির্দেশ মেনেই আমি ওই শিক্ষকের আগস্ট মাস থেকে বেতন ভাতা বন্ধ করে দিয়েছি। অবৈধভাবে প্রতারণার মাধ্যমে তথ্য গোপন করে নিয়োগ নিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করতে আমি দিতে পারি না। এই শিক্ষকের শিক্ষা জীবনে সবগুলোই তৃতীয় বিভাগ, সেটিও পরিপত্র পরিপন্থী। যারা সরোয়ারের নিয়োগ দিয়েছেন তারাও দুর্নীতির সাথে জড়িত বলে মনে করি। তাদের সকলকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

নি এম/আল-আমিন