eibela24.com
শনিবার, ২৮, নভেম্বর, ২০২০
 

 
অষ্টগ্রামে পানি বন্দি কয়েক হাজার মানুষ; পাচ্ছে না সরকারি ত্রান
আপডেট: ০৯:২০ pm ২৪-০৭-২০২০
 
 


কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বন্যায় প্রায় ৫ হাজার লোকজন পানি বন্দি। মিলছে না সরকারি কোনো ত্রাণ। বন্যার পানি ক্রমাগত বেড়েই চলছে। ইতিমধ্যে উপজেলার খয়েলপুর আব্দুল্লাপুর,আদমপুর কলমা,পূর্বঅষ্টগ্রাম ৪টি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি অবস্থায় মারাত্মক ভাবে দিনাদিপাত করছে। অনেকেই বাড়ীঘর ছেড়ে অন্যের বাড়ীতে এবং অনেকই ঘরে উঁচু মাচা বেঁধে মানবেতর বসবাস করছে। এসব গ্রামের মধ্যে রয়েছে আব্দুল্লাপুর, মধ্যপাড়া, কলিমপুর, কদমচাল, সমারচর আদমপুরের নূরপুর, বরাগীর কান্দি,কাটা গাঙ্গেরপার,চৌদন্ত,কলমা ইউনিয়নের কাকুরিয়া, সাপান্ত, বাজুরী, শান্তিপুর, কলমা, পূর্বঅষ্টগ্রাম ইউনিয়নের ইসলামপুর,পূর্বঅষ্টগ্রামে ইকুরদিয়া, ইসলামপুর সদর, দেওঘর, বাংগালপাড়া, এবং কাস্তুল ইউনিয়নের অনিয়মিত হাওরের মাঝে মাঝে বাধা বাড়ী-ঘর গুলিও পানির নীচে চলে গেছে বাংগালপাড়ার কুড়ের পাড় ভাটিরনগর, দেওঘর ইউনিয়নের দেওঘর, আলীনগর পাউনের কান্দি ইত্যাদি গ্রামে অসংখ্য পরিবারের বাড়ীঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি প্রবাহ কাটা গাঙ্গের পাড় ইকুরদিয়া ইসলামপুর চৌদন্ত পূর্ব হাটি বাড়ীঘর ভাঙ্গতে শুরু করছে রাস্তাঘাট ব্রীজ কালভার্ড ইত্যাদির মারাত্মক ক্ষতি সহ যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় ভেঙ্গে পড়েছে হঠাৎ অস্বাভাবিক ভাবে পানি বৃদ্ধির ফলে গাছপালা পানির নীচে কোথায় ভেঙ্গে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়াও বর্তমানে করোনা ভাইরাসের ভয়ে উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার যুবক বাড়ীতে এসে বেকার হয়ে পড়েছে এছাড়াও এলাকাতে কোন কাজ না থাকায় শ্রমশক্তিপূর্ন বেকারত্বে পরিনত হয়েছে। এ উপজেলার সংখ্যাগরিষ্ট মানুষই শ্রমজীবি কেটে খাওয়া প্রান্থিক ও বর্গাচাষী। বর্তমানে কোন কর্ম সংস্থান না থাকায় মানবেতর দিনাদিপাত করছে কিছু লোক মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করত। তারাও নদীতে জাল মাছ না পেয়ে চরম অভাবে দিনাদিপাত করছেন। 

পানি বন্দি অনেকেরেই সাথে আলাপ করলে তারা জানান, সরকারী ভাবে এ উপজেলার বন্যার কারনে কোন  ত্রান দেওয়া হয়নি। 

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আলমাছ উদ্দিন জানান উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৮৮০টি পরিবার পানি বন্দি রয়েছে ত্রানের জন্য জেলা চাহিদা দিয়েছে এবং বন্যা কবলিত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে জানান তিনি। 

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাহি কর্মকর্তা রফিকুল আলম জানান ইতিমধ্যেই পানি বন্দিদের কে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য বলা হলেও তারা তাদের ঘরবাড়ির মায়া ছেড়ে আসছে না, আজ (শুক্রবার) আমরা বন্যা কবলিত গ্রামগুলোতে যাচ্ছি এবং জরুরী ভিত্তিতে তাদের মাঝে কিছু ত্রাণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।

নি এম/ মন্তোষ