eibela24.com
শুক্রবার, ২৩, অক্টোবর, ২০২০
 

 
পটুয়াখালীতে গোপাল কর্মকারকে দেশত্যাগের হুমকি, আতঙ্কে গ্রাম ছাড়া পরিবার !
আপডেট: ০৪:১২ pm ২২-০৩-২০২০
 
 


পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার অন্তর্গত বগা গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমিদখল, চাঁদা দাবি, দোকান ঘরে জোরপূর্বক তালা, ভারতে চলে যেতে নির্দেশ সংখ্যালঘু গোপাল কর্মকার ও তার পরিবারবর্গকে। আতঙ্কে গোপাল ও তার পরিবার এখন গ্রাম ছাড়া।

গোপাল কর্মকার পিতা মৃত কালাচাঁদ কর্মকার গ্রাম বন্দর উপজেলা বাউফল জেলা পটুয়াখালী বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ করে বলেন যে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বগা বাজারে জুয়েলারি দোকান আছে। দোকানের জমি ক্রয় সূত্রে তিনি মালিক। জমির পরিমাপ ৬ শতাংশ যার বাজার মূল্য ৬০ লক্ষ টাকা।

উদ্দেশ্য গোপালের শেষ সম্বল ঐ ৬ শতাংশ জমি ও দোকান বাউফল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব এবং তার পুত্র,৭ নং বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান একে অপরের সহযোগিতায় জমি ও দোকান জোরপূর্বক বিভিন্ন কায়দায় তাকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করে দখল করা।

এলাকার নামধারী রাজনীতিবিদ ও কথিত সমাজসেবক তারা আমার জমির উপর লোভ করেছে যার কারণে আমার জুয়েলারি দোকানে অবৈধভাবে তালা লাগিয়ে দেয়, তালা খুললে আমাদের প্রাণে মেরে ফেলবে যার কারণে আমি পালিয়ে জীবন যাপন করছি। তিনি আরও বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে আরম্ভ করে লোকাল প্রশাসনের সর্ব স্তরের নিকট এই নির্যাতনের বিচার চেয়ে ব্যর্থ হয়েছি!

গত ১৭ ই মার্চ, ২০ সরজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে এলাকার সর্বস্তরের লোকদের সঙ্গে কথা বলা হয়, উপজেলা চেয়ারম্যান তালেব এবং তার পুত্র,৭ নং বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসানের সঙ্গে মত বিনিময় করা হয়।

তদন্তকালে বাউফলে সংসদ সদস্য আঃসঃমঃ ফিরোজ কে অবগত করিলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো গোপাল কর্মকার এর সাথে উগ্র মেজাজ এ কথা বলেছেন!

BDMW এর প্রতিনিধি দল গোপনে এবং প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ লোকজনের সঙ্গে এই ব্যাপারে মত বিনিময় করেছেন, গোপালের পরিবারবর্গ নিয়ে তালা বন্ধ দোকানে গিয়ে দেখা গেল পরিস্তিতি অনুকুল নয়! সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় গোপাল কর্মকার বর্তমানে বাড়িছাড়া ও এলাকার লোকজন বলছেন গোপাল ভারতে চলে গিয়েছে!

আসলে এলাকার প্রভাবশালী, জুলুমবাজ, সন্ত্রাসীদের কারণে প্রাণের ভয়ে ঢাকায় গিয়ে কোন এক কোম্পানিতে চাকরি করেন। তারা কান্না বিজড়িত কন্ঠে তাদের অসহায়ত্বের কারন বর্ণনা করেন। এম,পি, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, থানা নির্বাহী অফিসার, ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিরব ভুমিকা মনে করে দিচ্ছে ৭১ সালের মুক্তি যুদ্ধের কথা।

নি এম/