eibela24.com
বুধবার, ১৭, জুলাই, ২০১৯
 

 
গুগল ডুডলে উল্কাবৃষ্টি
আপডেট: ০৫:১৫ pm ১৩-১২-২০১৮
 
 


মহাকাশে দৃশ্যমান ঘটনাগুলোর মধ্যে মনোমুগ্ধকর 'জেমিনিড মেটেওর শাওয়ার'। উল্কাপিণ্ডের বৃষ্টিপাত বিস্ময়ের ঘোর লাগায়। আজই সেই দিন। বৃহস্পতিবার রাতের আকাশে এই দর্শনীয় উল্কাবৃষ্টি আলো ছড়াবে। আর গুগল সেই ঘটনাকে স্মরণ করেছে ডুডলের মাধ্যমে। 

ফায়েথন নামের একটি উল্কাপিণ্ড প্রতিবছরের ডিসেম্বরে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের এই বৃষ্টিপাতের ঘটনা ঘটায়। এ সংক্রান্ত স্যাটেলাইটের তথ্য ৩৫ বছর আগে থেকে সংরক্ষিত রয়েছে। গ্রিক দেবতা অ্যাপোলোর পুত্রের নামে এর নামকরণ হয়েছে ফায়েথন। এর কক্ষপথ তাকে মার্কারির চেয়ে অনেক বেশি সূর্যের কাছে নিয়ে যায়। সেই ১৮০০ সাল থেকেই একে পর্যবেক্ষণ করা হতো। তখন থেকেই এর হলুদাভ বৃষ্টিপাত আকাশে আরো বেশি প্রকট হয়েছে। 

২০১৭ সালে 'রক ধূমকেতু' পৃথিবী গ্রহের ৬৪ লাখ মাইলের মধ্যে চলে আসে। যদিও গত বছরের সুপারমুন এই মহাকাশের বৃষ্টিপাতের আলোকছটাকে কিছুটা ম্লান করে দিয়েছিল। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এ বছরটিতেই উল্কাবৃষ্টি অনেক বেশি পরিষ্কার দেখা যাবে। 

সবচেয়ে আশার কথা হলো, এই বৃষ্টিপাত দেখতে কোনো শক্তিশালী টেলিস্কোপ বা এমনকি বাইনোকুলারেরও দরকার নেই। এই উল্কার আশপাশে থাকা আবর্জনা বা ধ্বংসাবশেষ খোলা চোখেই স্পষ্ট হয়ে উঠবে। মোটামুটি রাত নয়টার পর থেকে এই মহাজাগতিক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাতের পর আরো বেশি পরিষ্কার দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। আবর্জনার টুকরোগুলো একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আরো ছড়াবে। 

আজকের গুগল ডুডল এই ঘটনাকেই মনে করিয়ে দিয়েছে। এই পিণ্ড সূর্যের কাছাকাছি থাকবে। ফলে প্রচণ্ড তাপমাত্রায় এর কক্ষপথে পিণ্ডের দৃশ্যমান লেজুড় তৈরি হবে। এর আবর্জনা আমাদের বায়ুমণ্ডলে ঘণ্টায় ৭৯ হাজার মাইলবেগে সংঘর্ষ ঘটায়। আর এই তীব্র সংঘর্ষের কারণে টুকরোগুলো আগুনে হয়ে ওঠে। আর ওই আগুনের ছটাই আমরা দেখতে পাই। 

নি এম/