eibela24.com
রবিবার, ১৬, জুন, ২০১৯
 

 
আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া
আপডেট: ১১:৫৯ am ০৯-১১-২০১৮
 
 


আজ শুক্ল দ্বিতীয়া। এই দিনটি ভ্রাতৃদ্বিতীয়া হিসেবেও পরিচিত। এই দিনটিতে ভাইবোনের মিলনোৎসব পালিত হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া ভাই-বোন উভয়েই উভয়ের মঙ্গল কামনা করে থাকে। বাঙালিদের কাছে এই দিনটি ‘ভাইফোঁটা’ হিসেবেই অধিক পরিচিত।

কালীপুজোর একদিন পর অর্থাৎ, শুক্ল দ্বিতীয়া বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার সকাল থেকেই নানা আয়োজনে প্রস্তুতি চলে ভাইফোঁটার। নানা মাঙ্গলিক আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে, উপহারের আদান-প্রদানে এই দিনটি পালিত হয়। 

পৌরাণিক কাহিনীতে বলা হয়, নরকাসুরকে বধ করে এইদিন বোন সুভদ্রার কাছে গিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ| সুভদ্রা দাদাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ফুল-মিষ্টান্ন দিয়ে| আরতিও করেছিলেন| 

আর একটি বেশি প্রচলিত কাহিনী হল, যমরাজ গিয়েছিলেন বোন যমুনার কাছে| যমুনা বা যমীও এইভাবে অগ্রজকে বরণ করে নিয়েছিলেন| সেই থেকে সহোদরের মঙ্গলকামনায় প্রবর্তিত ভ্রাতৃদ্বিতীয়া|

আর ভাইফোঁটা এমন এক উত্‍সব যেখানে ব্রাহ্মণ পুজারীর দরকার হয় না| তবু বিশেষ না হলেও এর জন্যেও আছে কিছু রীতি রেওয়াজ|

এইদিন বরণডালা সাজিয়ে ভাইকে আরতি করা হয়| এক এক বাড়ির নিয়ম অনুযায়ী এক এক রকম জিনিস থাকে সেই ডালায়| তবে প্রদীপ ধূপকাঠি পান সুপারি হরিতকি ইত্যাদি দ্রব্যই সাধারণত থাকে|

আবার যাঁরা কোনও কারণে ভাইফোঁটা দিতে পারছেন না তাঁরা দেওয়ালে তিলক বা ফোঁটা দেন| অনেক জায়গায় আবার আকাশের চাঁদের উদ্দেশেও ফোঁটা উত্‍সর্গ করার রীতি আছে| ভাইয়ের কল্যাণ প্রার্থনা করে|

ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার প্রচলিত মন্ত্রঃ

ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা,
যমদুয়ারে পড়ল কাঁটা।
যমুনা দেন যমকে ফোঁটা,
আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা।

নি এম/