রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯
রবিবার, ২রা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
সমুদ্রতলের ডাকবাক্সে হাজারও চিঠি!
প্রকাশ: ১১:০৩ am ২৫-১১-২০১৮ হালনাগাদ: ১১:০৩ am ২৫-১১-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


আধুনিক যুগে ডাকবাক্স, তাও আবার গভীর সমুদ্রে! শুধু তাই নয়, ডাকবাক্সে চিঠি পড়েছে হাজার হাজার। বিষয়টি অবাক করার মতোই। হ্যাঁ, জাপানে এমনই একটি লাল গোল মাথাওয়ালা ডাকবাক্স হয়ে উঠেছে হাজার হাজার পর্যটকের মূল আকর্ষণ।

হাজার হাজার চিঠি নিয়মিত জমা পড়ছে এ ডাকবাক্সে। এ বাক্সে চিঠি ফেলতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসেন প্রতি বছর। ভাবছেন, ব্যপার কী! কী এমন বিশেষত্ব রয়েছে এ ডাকবাক্সে?

আসলে এ ডাকবাক্সটি রয়েছে সমুদ্রের গভীরে। এ ডাকবাক্স রয়েছে জাপানের সুসামি শহরে। প্রতি বছর কয়েকশ’ পর্যটক ডিপ সি ডাইভিংয়ে এ ডাকবাক্সের টানেই ছুটে আসেন এখানে। জাপানের এ শহরে মূলত মৎস্যজীবী মানুষের বাস। প্রায় পাঁচ হাজার মৎস্যজীবী এখানে বসবাস করেন।

১৯৯৯ সালের এপ্রিলে এখানে ‘কুমানোকোদো’ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে পর্যটন প্রসারের উদ্যোগ নেয়া হয়। আর সেই সময় এক প্রবীণ পোস্ট মাস্টারের পরামর্শ অনুযায়ী ‘ডিপ সি ডাইভিং’র পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়।

আর এরই প্রধান অঙ্গ হিসেবে সমুদ্রের গভীরে বসানো হয় এ ‘আন্ডার ওয়াটার পোস্টবক্স’। সমুদ্র সৈকত থেকে ১০ মিটার দূরে এবং ৩২ ফুট গভীরে বসানো হয় ডাকবাক্সটি। ১৯৯৯ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৬ হাজার চিঠি পড়েছে এ ডাকবাক্সে।

কিন্তু ভাবছেন, পানির তলায় চিঠিপত্র টিকবে কী করে? স্থানীয় দোকানে পাওয়া যায় বিশেষ ওয়াটারপ্রুফ কাগজ, খাম আর বিশেষ মার্কার পেন। এ মার্কার পেন দিয়ে ওয়াটারপ্রুফ কাগজে চিঠি লিখে পানির নিচে গিয়ে নিজেদের চিঠি পোস্ট করেন পর্যটকরা।

নির্দিষ্ট সময় পরপর পোস্টাল ডাইভাররা সেই চিঠিগুলো তুলে এনে সেগুলোকে পাঠিয়ে দেন স্থানীয় ডাকঘরে। এর মোটামুটি এক সপ্তাহের মধ্যে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া হয় চিঠিগুলো।

৬ মাস পরপর ডাকবাক্সটি তুলে আনা হয় রং আর মেরামতির জন্য। দুটি ডাকবক্স এভাবে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে রেখে আসা হয় সমুদ্রের তলায়। ২০০২ সালে ‘ডিপেস্ট আন্ডার ওয়াটার পোস্টবক্স’ হিসেবে গিনেস রেকর্ডের বইয়ে জায়গা করে নেয় সুসামির এ ডাকবাক্সটি।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71