সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
সোমবার, ১৩ই আশ্বিন ১৪২৭
সর্বশেষ
 
 
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শ্মশানে মন্দির ও সমাধি ভাংচুর, প্রতিবাদে মানববন্ধন 
প্রকাশ: ০১:৪৪ pm ১৪-১২-২০১৯ হালনাগাদ: ০১:৪৪ pm ১৪-১২-২০১৯
 
দিনাজপুর প্রতিনিধি
 
 
 
 


আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শ্মশানে মন্দির ও সমাধি ভাংচুর, প্রতিবাদে মানববন্ধন 

দিনাজপুরের কাহারোল উপেজলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো. রমিজ আলমের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশানের সমাধি ও কালিমন্দির ভাংচুর করে তার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নবাসি এবং বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন।

গত সোমবার বিকাল ৫টায় কাহারোল উপজেলা বাজার এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলার সাহাপাড়ায় একর জমির উপর বৃটিশ আমল থেকে দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর শ্মশান ও কালিমন্দিরে পূজা অর্চনা এবং শবদাহ করে আসছেন। কিন্তু কতিপয় ব্যাক্তি প্রশাসনের যোগসাজশে শ্মশান ও কালিমন্দিরের জায়গা নিজ নামে লিজ বা পত্তন নেওয়ার জন্য নানাভাবে পায়তারা করছেন। ইতোমধ্যেই একটি মহল লাঠিসোঠাসহ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে দখল নিতে গেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বাঁধা দেয়। যার প্রেক্ষিতে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে রামচন্দ্রপুর শ্মশান ও কালিমন্দির কমিটির সদস্য পরিমল চন্দ্র রায়। যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন আছে।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর শ্মশান ও কালিমন্দির কমিটির পক্ষে কমিটির সদস্য পরিমল চন্দ্র রায় বাদী হয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক দিনাজপুর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাহারোল ও সহকারি ভূমি কমিশনার কাহারোল এর বিরুদ্ধে আইনের ৩৯ অর্ডার নং ১ রুলে এভিডেভিট করে মামরা চলাকালীন অবস্থায় বর্ণিত সম্পত্তির কোন প্রকার লিজ বা পত্তন দিতে না পারেন সেজন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য দিনাজপুর কাহারোল সহকারি জজ আদালতে প্রার্থনা করা হয়। 

এই মামলায় গত ১২/১২/১৯ ইং তারিখে ১-৪ নং বিবাদীকে ১০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। কিন্তু বিবাদীগণ আদালতে হাজির হননি। পরে আদালত আগামী ২০/০১/২০২০ ইং তারিখ পর্যন্ত নালিশি সম্পত্তির উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তারপরেও আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ৮ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর শ্মশান ও কালিমন্দিরের জায়গায় প্রবেশ করে কাহারোল উপজেলা সহকারি ভূমি কমিশনার রমিজ আলম প্রশাসনের লোক হয়েও আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সমাধি ভাংচুরসহ ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এ অবস্থায় অত্র এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা।

নি এম/উত্তম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2020 Eibela.Com
Developed by: coder71