বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯
বুধবার, ২রা শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
রাজাপুরে ভাসুরের লাথি ও পিটুনিতে ভাবির মৃত সন্তান প্রসব
প্রকাশ: ০৫:০৯ pm ০১-১২-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:০৯ pm ০১-১২-২০১৮
 
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
 
 
 
 


ঝালকাঠির রাজাপুরের আদাখোল গ্রামের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাসুর জাহাঙ্গীর হাওলাদারের লাথি ও লাঠির আঘাতে ভাবি রেকসোনা বেগমের মৃত সন্তান প্রসব করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। 

রেকসোনার স্বামী দরিদ্র জেলে আলমগীর হাওলদার শনিবার সকালে অভিযোগ করে জানান, তার আপন বড় ভাই জাহাঙ্গীর হাওলাদারের সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। ২৩ নভেম্বর শুক্রবার সকালে বাকবিতন্ডার এক পর্যায় জাহাঙ্গীর হাওলাদার, তার দুই ছেলে নাইম (২০) ও কাইউম (১৮) এবং তার স্ত্রী নাছিমা বেগম আলমগীরকে মারধর করতে থাকে। এ সময় স্বামীকে রক্ষা করতে ৯ মাসের গর্ভবতী স্ত্রী রেকসোনা বেগম এগিয়ে গেলে তার পেটে লাথি মারে এবং লাঠি দিয়ে বেধরক মারধর ও পিটুনী দেয়। পরে আহত রেকসোনা উদ্ধার করে রাজাপুর থানায় নিয়ে গেলে পুলিশের পরার্মশে রাজাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ডা. আবুল খয়ের মো. রাসেল তাকে এক সপ্তাহ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকতে হবে বলে ভর্তি করেন। এদিকে রাজাপুর থানায় রেকসোনা বাদি হয়ে অভিযোগ করেন। 

রেকসোনার স্বামী দরিদ্র জেলে আলমগীর হাওলদার শনিবার সকালে অভিযোগ করে আরও জানান, এএসআই নেছার উদ্দিন তার বাড়িতে তদন্তে গেলে আলমগীর হোসেন তাকে দুই হাজার ঘুষ দেয়। কিন্তু ঘুষ খেয়েও অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে কোন আইনী সহযোগীতা করেনি এএসআই নেছার উদ্দিন। 

এদিকে গত ২৫ নভেম্বর রবিবার রোগী ভালো আছে বলে স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে নাম কেটে দেয় আরএমও ডা. আবুল খায়ের মো. রাসেল। এমতাবস্থায় গত ২৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে রেকসোনা বাড়িতে বসে মৃত ছেলে সন্তান প্রসব করেন। গ্রাম্য দাই সুফিয়া বেগম জানান, মৃত সন্তানটি প্রসবের পর সন্তানটির বাম পায়ে কালো আঘাতের দাগ ও অন্ডোকোষ ভাঙা পানি ভরা দেখতে পান। পরে মৃত শিশুটিকে রাজাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে ডাক্তার রাসেল ময়নাতদন্তের জন্য বলেন কিন্তু থানায় নিয়ে গেলে এএসআই নেছার মোবাইলে ছবি তুলে রেখে থানায় প্রবেশ করতে না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। 
শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে মামল করতে গেলে ওসি মামলা নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন আলমগীর হোসেন। এ বিষয়ে এএসআই নেছার উদ্দিন তার বিরুদ্ধের সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তারা অভিযোগ দিলে তা জিডি হিসেবে নিয়ে তাদের আইনী সহায়তা দিয়েছি। 

রাজাপুর থানা ওসি জাহিদ হোসেন জানান, এ ঘটনাটি তারা ওইদিন জানায়নি এবং বাচ্চাটি নিয়ে থানায় না আসায় ময়নাতদন্ত করা হয়নি এবং কোন মামলাও নেয়া হয়নি।

নি এম/রহিম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71