সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
সোমবার, ৪ঠা পৌষ ১৪২৪
 
 
বাংলাদেশে গার্মেন্টস কারখানা সংস্কার চলছে ধীর গতিতে
প্রকাশ: ১০:২০ am ২৯-০৫-২০১৫ হালনাগাদ: ১০:২০ am ২৯-০৫-২০১৫
 
 
 


বাংলাদেশে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির নিরাপত্তা বাড়াতে ইয়োরোপীয় ক্রেতাদের তৈরি প্লাটফর্ম একর্ড বলছে তাদের পরিদর্শনের পর অনিরাপদ ঘোষিত কারখানা গুলোর মধ্যে এই প্রথম দুটো গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি সকল ধরনের সংস্কার সম্পন্ন করেছে।
বাংলাদেশে রানা প্লাজা ধসের পর বিদেশি ক্রেতাদের তৈরি দুটো প্লাটফর্ম একর্ড ও এ্যলায়েন্স মিলে ২৫ শ মতো কারখানা পরিদর্শন করেছে।
এসব কারখানাগুলোর সংস্কারের কাজ খুব দেরিতে এগুচ্ছে বলে সংগঠনটি বলছে। তবে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ বলছে সংস্কারে যে পরিমাণ অর্থ দরকার তা অনেক কারখানার নেই।
ঢাকার কাছে গাজীপুরে দক্ষিণ সালনায় একই ভবনে অবস্থিত দুটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি। পরিদর্শনের পর যে কারখানাগুলোতে ত্রুটি পাওয়া গিয়েছিলো তাদের মধ্যে এই প্রথম দুটো গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি সকল ধরনের সংস্কার সম্পন্ন করেছে।
একর্ডের নির্বাহী পরিচালক রব ওয়েস বলছেন এ মাসেই তাদের নিরাপদ ঘোষণা করা হয়েছে।
“ এই প্রথম আমাদের পরিদর্শন করা দুটো কারখানা অগ্নি ও কাঠামোগত নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ বিষয়ক ত্রুটি সবই সংস্কার ও মেরামত করেছে,” তিনি বিবিসিকে বলেন।
রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবার এখানো ক্ষতিপূরণের আশায়।
তিনি বলেন একর্ডের পরিদর্শকরা কারাখানা দুটোতে গিয়ে নিশ্চিত হয়েছে, এবং তারা আশা করছেন অন্যরাও তাদের পথ অনুসরণ করকে।
মি ওয়েস অবশ্য বলছিলেন, এসব কারখানার নিরাপত্তার বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া। যখন যা দরকার পড়বে সেই অনুযায়ী সবসময়ই সংস্কার চালিয়ে যেতে হবে।
ইয়োরোপীয় ও মার্কিন ক্রেতাদের দুটি প্লাটফর্মের ইঞ্জিনিয়ার ও পরিদর্শকরা এপর্যন্ত ২৫০০ মতো পোশাক কারখানা পরিদর্শন করেছে।
তারা প্রতিটিতেই কোন না কোন ধরনের ত্রুটি দেখতে পেয়েছে।
রব ওয়েস বলছেন বহু কারখানায় তারা ত্রুটি পেয়েছেন যাদের সংস্কারের কাজ খুব ধীর গতিতে এগুচ্ছে।
“যাদের আমরা পরিদর্শন করেছি তাদের প্রতিটিতেই কোন না কোন ত্রুটি আমরা চিহ্নিত করেছি,” তিনি বলেন।
বেশির ভাগ কারখানায় উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক সমস্যা পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন অনেকে খুবই ধীর গতিতে কাজ করছে এবং সংস্কারের প্রশ্নে বেশ পিছিয়ে পরেছে।
তবে কত কারখানায় ত্রুটি রয়েছে তা নিয়ে একর্ড ও এ্যালায়েন্স সাথে একমত নয় বাংলাদেশে পোশাক খাতে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
সংগঠনটির একজন সভাপতি মোঃ নাসিরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলছেন, একমত না হলেও কারখানার মালিকরা তা মেনে কাজ করছে, তবে এসব সংস্কারে ব্যাপক অর্থ দরকার তা বেশিরভাগ কারখানার মালিকদের নেই।
অনেক ফ্যাক্টরির সংস্কারে ব্যাপক পরিমাণে টাকার দরকার। তিনি বলেন ধরনের সংস্কারের যখন দরকার হবে তখন বিদেশি ক্রেতারা একর্ড ও এ্যালায়েন্সের মাধ্যমে তাদের সেই টাকা দেবে বলে কথা ছিল।
কিন্তু তারা দেয় নি।
“মালিকেরা এধরনের সংস্কারে ব্যাংক থেকেও অর্থ পাচ্ছে না। সে জন্যে যাদের টাকা কম তাদের পক্ষে এসব সংস্কার সমস্যা”, তিনি বলেন।
বাংলাদেশে ২০১৩ র এপ্রিলে রানা প্লাজা ধসে ১,১০০-র বেশি শ্রমিক নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশের পোশাক খাত ব্যাপক ইমেজ সংকটে পড়ে।
তার পরিপ্রেক্ষিতে পোশাক শ্রমিকদের নিরাপত্তায় বিদেশি ক্রেতাদেরও যে দায়িত্ব রয়েছে সে বিষয়টি উঠে আসে।
তার পটভূমিতে এইচ এন এম, প্রাইমার্ক বা টেস্কোর মতো বিদেশি ক্রেতাদের সহায়তায় গড়ে ওঠে একর্ড ও এ্যালায়েন্সের মতো সংগঠন।

সুত্র : বিবিসি

এইবেল ডট কম/এইচ আর


 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
Loading...
 
 
 
Loading...
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক: সুকৃতি কুমার মন্ডল

Editor: ‍Sukriti Kumar Mondal

সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন # sukritieibela@gmail.com

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

   বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ:

 E-mail: sukritieibela@gmail.com

  মোবাইল: +8801711 98 15 52 

            +8801517-29 00 01

 

 

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71