শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯
শনিবার, ৫ই শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ২
প্রকাশ: ০৩:৫৬ pm ০৬-১২-২০১৮ হালনাগাদ: ০৩:৫৬ pm ০৬-১২-২০১৮
 
নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
 
 
 
 


নড়াইলে  আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলি ও কোপে দুই জন নিহত হয়েছে। প্রতিপক্ষের কানচে শেখসহ ৬ জন আহত হয়েছে। আহতদেরকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার নড়াগাতি থানার কান্দুরী গ্রামে ঘটেছে ওই হত্যাকান্ডের ঘটনা। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করেছে। তবে আটককৃতদের নাম তাৎক্ষনিক ভাবে জানা যায়নি। 

ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিহতদের পরিবারসহ এলাকা জুড়ে চলছে শোকের মাতম। ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, নড়াইলের কালিয়ার উপজেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওই গ্রামটিতে  দীর্ঘদিন যাবৎ সাবেক ইউপি সদস্য মো.অলিয়ার রহমান মোল্যা ও বর্তমান ইউপি সদস্য ইলিয়াছ মোল্যার মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল। উভয় গ্রুপই আওয়ামী লীগের সমর্থক। ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে অলিয়ার গ্রুপের সমর্থক কান্দুরী গ্রামের সাদেক মোল্যার ছেলে ইমান আলী মোল্যা (৩৮) ও ফহম মোল্যার ছেলে রুকু মোল্যাসহ (৩৫) ৭/৮ জন তাদের নিজস্ব জমির ধান কাটতে রুকুর বাড়ির পাশের একটি জমিতে গেলে ইলিয়াছ গ্রুপের লোকজন দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদেরকে অতর্কিত ঘিরে ফেলে এবং শর্ট গান দিয়ে গুলি বর্ষণ করতে শুরু করে। প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলিতে ইমান আলীসহ তার সংগী একই গ্রামের আজিজুল মোল্যা (২৮),বিল্লাল মোল্যা (৩২), তিতু মোল্যা (৩৫), নাননু মোল্যা (৪০), জসিম মোল্যা (৩৭) ও অপরপক্ষের আক্রমনে ইলিয়াছ মোল্যা গ্রুপের সালাম শেখের ছেলে কানচে শেখ (৩৫)গুরুতর আহত হয়। ইমান আলী ও রুকু হামলাকারিদের হাতে ধরা পড়লে তাদেরকে গুলি করে ও কুপিয়ে আহত করলে ঘটনাস্থলেই ইমান আলী নিহত হয়। রুকুকে মুমুর্ষূ অবস্থায় কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। 

নিহত রুকুর স্ত্রী আফরোজা বেগম ঘটনার বর্ননা দিয়ে সাংবাদিকদের নিকট বলেন,‘তার স্বামী দৌড়ে বাড়িতে পালালেও খুনিরা তাকে ছাড়েনি। স্বামীর জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তিনিও আহত হয়েছেন। সন্ত্রাসীরা ইমান আলী ও তার স্বামীকে হত্যা করেছে বলে তার অভিযোগ।’

নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.সরফুদ্দিন হত্যাকান্ডটিকে নিষ্ঠুরতা বলে অভিহিত করে বলেন,‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকি জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। 

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71