শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯
শনিবার, ৫ই শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
নবীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ মাস পর গৃহবধুর লাশ উদ্ধার
প্রকাশ: ১১:২৫ am ১৬-১২-২০১৮ হালনাগাদ: ১১:২৫ am ১৬-১২-২০১৮
 
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
 
 
 
 


হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের  নিখোঁজের ৩ মাস পর হাওরের ধান ক্ষেত থেকে তোলাফর উল্লার মেয়ে সুজনা বেগম (২৯) এর কংকাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় পরনের কাপড় দেখে সুজনার ভাই ও তার পরিবারের লোকজন সুজনাকে সনাক্ত করেছেন। 

শনিবার বিকেলে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কইখাই গ্রামের ইলিমপুর হাওর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় কইখাই গ্রামের মৃত আব্দুল মতিন এর পুত্র ও সুজনার প্রেমিক সাহিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদেন জন্য আটক করা হয়েছে।

জানা যায়, তোলাফর উল্লার  ছেলে ও মেয়ের মধ্য সুজনা বেগম ৩য়। চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টা ৪০মিনিটে তার খালার বাড়ী সৈয়দপুর দাওয়াতে যাবার পথে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে তোলাফর উল্লা ওই দিনই নবীগঞ্জ থানায় সাধারন ডায়েরী(জিডি)করেন। শনিবার বিকেলে নিখোঁজের ৩মাস পর ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কইখাই গ্রামের ইলিমপুর হাওরে স্থানীয় লোকজন কংকালের কিছু হাড় ও কাপড় দেখে পুলিশে খবর দেন। 

খবর পেয়ে নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী,ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খাঁন একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে কংকালের হাড়, ওরনা ও সেলোয়ার কামিজসহ পরনের কাপড় উদ্ধার করেন। এ সময় সুজনার পিতা তোলাফর উল্লাহসহ পরিবারের লোকজন ওরনা ও সেলোয়ার কামিজ দেখে হাড় গুলো সুজনার বলে সনাক্ত করেন।
 
সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুজনার প্রেমিক কইখাই গ্রামের মৃত আব্দুল মতিন এর পুত্র সাহিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছেন।  

নিহত সুজনার ভাই সাহিনুর রহমান জানান, তার বোন সুজনার সাথে কইখাই গ্রামের মৃত আব্দুল মতিন এর পুত্র সাহিন মিয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে সুজনাকে মোস্তফাপুর গ্রামের জয় হোসেনের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের কিছু দিন পর জয় হোসেন সৌদি আরব চলে যান। তারপর আর দেশে ফিরেনি। নিহত সুজনার ৪ বছরের এক মেয়ে রয়েছে। এদিকে সুজনার বিয়ের পর প্রেমিক সাহিন ও বিয়ে করে। কিন্ত বিয়ের পরও দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। এ নিয়ে কয়েকবার গ্রামে শালিস বৈঠক হয়েছে। কিন্ত তাদেরকে ফিরানো যায়নি। এমতাবস্থায় সুজনা নিখোঁজ হয়।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী জানান, সুজনা নিখোঁজের পর তার পরিবারের দায়েকৃত জিডি ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহিনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে বিস্তারিত পরে বলা যাবে।

নি এম/ছনি 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71