বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৬ই বৈশাখ ১৪২৫
 
 
দেখে নিন মহাভারতের গৌরবময় কুরুক্ষেত্র প্রান্তর
প্রকাশ: ০৬:৩৯ pm ০৯-১২-২০১৭ হালনাগাদ: ০৬:৪১ pm ০৯-১২-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


এই সেই বিখ্যাত ‘ধর্মক্ষেত্র কুরুক্ষেত্র’। এখানেই মহাভারতের মহাযুদ্ধ হয়েছিল। এই সেই ধন্য ভূমি যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে গীতার অমৃত উপদেশ বাণী প্রদান করেছিলেন, বিশ্বরূপ দর্শন করিয়েছিলেন।

কুরুক্ষেত্র হলো ধর্মক্ষেত্র - সুপ্রাচীন তীর্থভূমি। এর মাটি পবিত্র। এই মাটি স্পর্শ করলে মহাপাপীও পবিত্র হয়ে যায়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদ প্রাপ্ত হয়। মন্দিরের ভেতরে হনুমানজী আছেন। মন্দিরের বাইরে ভগবানের বাহন গরুড়-এর বিগ্রহ আছে। এই মন্দির পরিক্রমা করলে অক্ষয় ফল প্রাপ্ত হয়। 

৩১৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহাভারতের যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার আগে থেকেই এই স্থানটি পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে স্বীকৃত ছিল।

কুরুক্ষেত্রে অবস্থিত পবিত্র ব্রহ্ম সরোবর। এর মাঝে অবস্থিত সর্বেশ্বর মহাদেবের মন্দির। বলা হয়, এই মন্দিরে ব্রহ্মা সর্বেশ্বর শিবের উপাসনা করেছিলেন। এছাড়া কুরু মহারাজও এখানে সাধনা করেছিলেন। তাই এই স্থান পবিত্র। মোঘল আমলে এই মন্দির ধ্বংস করা হয়েছিল। পরে অষ্টাদশ শতকে হরি গিরি গোঁসাই এটা পুনর্নিমাণ করেন। 

কুরুক্ষেত্রের এক প্রান্তে অবস্থিত প্রাচীন দ্রৌপদী কূপ। সিঁড়ি দিয়ে সুড়ঙ্গের মধ্যে নামতে হয়। পাণ্ডবদের স্ত্রী দ্রৌপদী মহারাণী কুরুক্ষেত্র তীর্থের এই কূপে স্নান করেছিলেন। 

এটা খুবই প্রাচীন মন্দির। এর চারপাশের উদ্যান ও পরিবেশ যোগ ও ধ্যান করার জন্য খুবই উপযুক্ত। আর এমন পরিবেশ তো প্রতিটি মন্দিরেই থাকা বাঞ্ছনীয়।

 

 

 

আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71