মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯
মঙ্গলবার, ১০ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
জমি দখলে বাধা দেওয়ায় তিন হিন্দু নারীকে মধ্যযোগীয় কায়দায় প্রহার
প্রকাশ: ০২:৩৯ pm ১২-১১-২০১৬ হালনাগাদ: ০৫:৪১ pm ১২-১১-২০১৬
 
 
 


বাগেরহাট::  বাগেরহাটের চিতলমারীতে হিন্দুদের জায়গা জোরপূর্বক দখল করতে এসে এক হিন্দু পরিবারের উপর হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ েকরেছে েএক দল সন্ত্রাসী। তিন হিন্দু নারীকে  মধ্যযোগীয় কাদায় পেটায় জমি দখল করতে আসা সন্ত্রাসীরা।  আহতদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার পর সংখ্যলঘু পরিবারটি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। এ খবর পেয়ে জাতীয় হিন্দু মহাজোট চিতলমারী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ ঘনটাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।

ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল। পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, চিতলমারী সদর বাজার সংলগ্ন খড়মখালী গ্রামের উত্তম সাহা ও প্রতিবেশী মোস্তফা মোল্লার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। স¤প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এ বিরোধ নিস্পত্তি হয়।

একইসাথে উভয় পক্ষের জায়গার সিমানা নির্ধারণ করে বেড়া দেওয়া হয়। কিন্তু সেই আপোষনামা উপক্ষো করে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে  মোস্তফা মোল্লার ছেলে মাহাবুর ও জামাই ফারুকের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন লোক উত্তম সাহার পরিবারের ওপর অর্তকিত  হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা উত্তমের কাঠের তৈরি নির্মানাধীন দোকান ঘর ভাংচুর করে। একই সাথে হামলাকারীরা একটি গোয়াল ঘরে অগ্নীসংযোগ করে। এ সময় পুরুষরা বাড়িতে নাথাকায় হামলাকারীদের বাধা দিতে গিয়ে  উত্তম সাহার স্ত্রী মিনা সাহা (৩৫), শাশুড়ি শ্যামলী হাজরা (৫৫) ও শ্যালকের স্ত্রী বনানী হাজরা (৩৮) আহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে চিতলমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ মোতায়েন করেন।

এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক ভাবে জাতীয় হিন্দু মহাজোট চিতলমারী উপজেলা শাখার আহবায়ক হরেন্দ্রনাথ রানা ও যুগ্ম আহবায়ক প্রফুল্ল কুমার রায়সহ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের শতাধিক নেতাকর্মী ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। তারা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের বিচার দাবি করেন। পরবর্তীতে নের্তৃবৃন্দ চিতলমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সাথে দেখা করেন। এ ব্যাপারে চিতলমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ জায়গাটি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ জায়গায় বর্তমানে আদালত ও থানার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। হামলার ব্যপারে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থান গ্রহণ করা হবে।

 

 

  এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71