রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯
রবিবার, ২রা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
চিনে নিন ভগবান রামের পরম শিষ্যা শবরীকে
প্রকাশ: ০৪:৩৬ pm ২৮-০২-২০১৯ হালনাগাদ: ০৪:৩৬ pm ২৮-০২-২০১৯
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী তিথি পালিত হয় শবরী জয়ন্তী হিসেবে। 

 • কে এই শবরী ? তিনি ছিলেন ব্যাধ-কন্যা ৷ অন্যদিকে ভগবান রামচন্দ্রের অনুগত এক শিষ্যা ৷ মতঙ্গ মুনির আশ্রমে একাই থাকতেন তিনি ৷ বয়সের ভারে ন্যুব্জ, জর্জরিত ৷ কিন্তু মৃত্যু হয়নি তাঁর ৷ কারণ দের রাখার আগে একটিবার ভগবান রামের সৌম্য মুখখানি দর্শন করাই ছিল তাঁর একমাত্র ইচ্ছা ৷ মতঙ্গ মুনি দেহ রাখার আগে শিষ্যা শবরীকে বলেছিলেন, একদিন এই আশ্রমে রাম আসবেন ৷ আশ্রম পবিত্র হয়ে উঠবে ৷ তাই নররূপী নারায়ণকে প্রত্যক্ষ করতে হাজার হাজার বছর বেঁচে ছিলেন শবরী ৷

কে এই শবরী ? তিনি ছিলেন ব্যাধ-কন্যা৷ অন্যদিকে ভগবান রামচন্দ্রের অনুগত এক শিষ্যা ৷ মতঙ্গ মুনির আশ্রমে একাই থাকতেন তিনি৷ বয়সের ভারে ন্যুব্জ, জর্জরিত৷ কিন্তু মৃত্যু হয়নি তাঁর৷ কারণ দেহ রাখার আগে একটিবার ভগবান রামের সৌম্য মুখখানি দর্শন করাই ছিল তাঁর একমাত্র ইচ্ছা ৷ মতঙ্গ মুনি দেহ রাখার আগে শিষ্যা শবরীকে বলেছিলেন, একদিন এই আশ্রমে রাম আসবেন ৷ আশ্রম পবিত্র হয়ে উঠবে ৷ তাই নররূপী নারায়ণকে প্রত্যক্ষ করতে হাজার হাজার বছর বেঁচে ছিলেন শবরী ৷

 

 • রোজই তিনি সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবতেন আজই বোধহয় সেই দিন ৷ তাই রোজই ফুল, মালা, চন্দনে সাজিয়ে রাখতেন মতঙ্গ মুনির আশ্রম ৷ মাটি ঢেকে রাখতেন সুগন্ধি ফুলে, দরজার দু’পাশে কলা গাছ শোভা দিত ৷ নিজে হাতে বন থেকে নানা সুমিষ্ট ফল-মূল সংগ্রহ করে রাখতেন ৷ আর আশ্রমের দরজায় বসে বসে ভগবানের অপেক্ষা করতেন ৷ দিন শেষ হয়ে যেত ৷ রামচন্দ্র দেখা দিতেন না ৷ সমস্ত ফুল-ফল নষ্ট হয়ে যেত ৷ মন খারাপ করে শুতে চলে যেতেন শবরী ৷ কিন্তু পরদিন সকালে উঠে ফের নতুন উদ্যমে প্রভুর জন্য শুরু করতেন তাঁর অপেক্ষা ৷

রোজই তিনি সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবতেন আজই বোধহয় সেই দিন ৷ তাই রোজই ফুল, মালা, চন্দনে সাজিয়ে রাখতেন মতঙ্গ মুনির আশ্রম৷ মাটি ঢেকে রাখতেন সুগন্ধি ফুলে, দরজার দু’পাশে কলা গাছ শোভা দিত৷ নিজে হাতে বন থেকে নানা সুমিষ্ট ফল-মূল সংগ্রহ করে রাখতেন৷ আর আশ্রমের দরজায় বসে বসে ভগবানের অপেক্ষা করতেন৷ দিন শেষ হয়ে যেত ৷ রামচন্দ্র দেখা দিতেন না ৷ সমস্ত ফুল-ফল নষ্ট হয়ে যেত৷ মন খারাপ করে শুতে চলে যেতেন শবরী ৷ কিন্তু পরদিন সকালে উঠে ফের নতুন উদ্যমে প্রভুর জন্য শুরু করতেন তাঁর অপেক্ষা৷

 • অবশেষে একদিন বৃদ্ধা শবরীর তপস্যা পূর্ণতা পেল ৷ সীতাকে খুঁজতে খুঁজতে রাম-লক্ষ্ণ সেই মতঙ্গ মুনির আশ্রমে এসে উপস্থিত হলেন ৷ আনন্দে, প্রেম, ভক্তি, শ্রদ্ধায়, সমর্পনে শবরী অনবরত কাঁদতে লাগলেন ৷ তা দেখে রামচন্দ্রের চোখ দিয়েও অশ্রুজল নির্গত হতে লাগল ৷ নানাভাবে ভগবানকে স্তুতি করতে লাগলেন তিনি ৷

অবশেষে একদিন বৃদ্ধা শবরীর তপস্যা পূর্ণতা পেল৷ সীতাকে খুঁজতে খুঁজতে রাম-লক্ষ্ণ সেই মতঙ্গ মুনির আশ্রমে এসে উপস্থিত হলেন৷ আনন্দে, প্রেম, ভক্তি, শ্রদ্ধায়, সমর্পনে শবরী অনবরত কাঁদতে লাগলেন ৷ তা দেখে রামচন্দ্রের চোখ দিয়েও অশ্রুজল নির্গত হতে লাগল৷ নানাভাবে ভগবানকে স্তুতি করতে লাগলেন তিনি ৷

 • প্রথমে ভগবানের পদযুগল স্খালন করে দিলেন শবরী ৷ এরপর বন থেকে সংগ্রহ করে আনা ফলমূল সাজিয়ে খেতে দিলেন প্রভুকে ৷ ওই ফলের মধ্যে ছিল জামও ৷ ভাবে বিভোর শবরী ভাবলেন প্রভুকে কীভাবে এই জাম নিবেদন করবেন ? যদি জামগুলি টক হয় ৷ এই ভেবে শবরী নিজেই জামগুলি চেখে দেখতে লাগলেন ৷ টক জামগুলি ফেলে নিয়ে মিষ্টি জামগুলি দিলেন রামের হাতে ৷ ভক্তের এই ভক্তি দেখে প্রভুও শিষ্যার উচ্ছিষ্ট অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করে খেতে লাগলেন ৷

প্রথমে ভগবানের পদযুগল স্খালন করে দিলেন শবরী৷ এরপর বন থেকে সংগ্রহ করে আনা ফলমূল সাজিয়ে খেতে দিলেন প্রভুকে ৷ ওই ফলের মধ্যে ছিল জামও ৷ ভাবে বিভোর শবরী ভাবলেন প্রভুকে কীভাবে এই জাম নিবেদন করবেন ? যদি জামগুলি টক হয় ৷ এই ভেবে শবরী নিজেই জামগুলি চেখে দেখতে লাগলেন ৷ টক জামগুলি ফেলে নিয়ে মিষ্টি জামগুলি দিলেন রামের হাতে ৷ ভক্তের এই ভক্তি দেখে প্রভুও শিষ্যার উচ্ছিষ্ট অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করে খেতে লাগলেন৷

 • এই ভাবেই নিজেকে ধন্য করলেন শবরী ৷ শেষে আরাধ্য দেবতার সামনেই দেহত্যাগ করে বৈকুন্ঠে গমন করলেন শবরী ৷

এই ভাবেই নিজেকে ধন্য করলেন শবরী ৷ শেষে আরাধ্য দেবতার সামনেই দেহত্যাগ করে বৈকুন্ঠে গমন করলেন শবরী ৷

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71