শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯
শনিবার, ৯ই চৈত্র ১৪২৫
 
 
গরমে সুস্থ থাকতে লিক্যুইড ডায়েট
প্রকাশ: ০৫:২৪ pm ১৯-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:২৪ pm ১৯-০৬-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


শীতে যেমন মশলাদার বা জাঙ্ক ফুড খেয়েও আপনি সুস্থ থাকেন গরমে তেমনটা হওয়ার উপায় নেই। এদিকে পানির অভাব পূরণ করতে না পারলে কাহিল হয়ে পড়াটা আশ্চর্যের বিষয় হবে না। একই সঙ্গে ত্বক, চুল হয়ে উঠবে বিবর্ণ। শরীরে জমা দূষিত পদার্থ ইউরিন বা ঘামের মধ্যে দিয়ে বের হতে না পেরে নানা সমস্যার সৃষ্টি করবে। তাই গরমকে বিদায় জানিয়ে সুস্থ থাকার একমাত্র দাওয়াই হলো তরল জাতীয় খাবার খাওয়া। এক্ষেত্রে শুধু পানি নয় এই সময়ের ডায়েটে সলিড খাবারের পরিমাণ একটু কমিয়ে লিক্যুইড খাবার রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। গরমে ফিট থাকতে আপন করে নিন লিক্যুইড ডায়েট।

ঋতু বদলেছে। বদলে গেছে মানুষের ডায়েট চার্টও। জাঙ্ক ফুড, তেল-মশলাদার খাবারের চেয়ে হালকা খাবার এখন বেশি পছন্দের। ডায়েট সচেতন না হয়েও লিক্যুইড ডায়েটে ঝুঁকছেন অনেকেই। প্রচণ্ড গরমে পেট ঠাণ্ডা রাখতে ভরসা এখন লাস্যি। বেল-সহ বিভিন্ন ফল ও পাতিলেবুর শরবত। ডাবের জল। আখের রস। প্রচণ্ড রোদ মাথায় নিয়ে প্লাস্টিক ছাউনির নীচে এই সব তরলে গলা ভিজিয়ে একটু স্বস্তির খোঁজে পথ চলতি মানুষ।

শরবত, লস্যি বাদ দিলে রাস্তায় বেরিয়ে অনেকে শুধু ফল খেয়ে হিট-কে বিট করতে চান। তরমুজ, সবেদা, শশা, কলা, পেয়ারা আরও নানা ফল। ইদানিং কাটা ফল খাওয়া এড়াতে চাইছেন অনেক স্বাস্থ্যসচেতনই। বিক্রিও কমেছে। তবে আটকানো যায়নি কাটা ফল বিক্রি।

খোলা জায়গায় দীর্ঘক্ষণ পড়ে থেকে কাটা ফলে ধুলো, ময়লা পড়ে যায়। ব্যাকটেরিয়া ধরা ফলের উপকারিতা তো থাকেই না। বরং ক্ষতি হয় শরীরের৷

কেন খাবেন:

১. যত তাপ বাড়বে ততই সলিড ফুড কমিয়ে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ লিক্যুইড ফুডের ওপর ভরসা করা শ্রেয়। যারা একেবারেই তাপ সহ্য করতে পারেন না তাদের পক্ষে এই ডায়েট আদর্শ।

২. লিক্যুইড ডায়েটে পানি, জ্যুস, স্যুপ, মাঠা মিলিয়ে কম করে তিন লিটার তরল পদার্থ থাকবে।

৩. লিক্যুইড ফুড মানেই লিভারের বিশ্রাম। এতে কোলনও পরিষ্কার হয়ে যায়।

৪. দিনে প্রচুর লিক্যুইড ইনটেক করলে আপনা থেকেই দূষিত পদার্থ বেরিয়ে গিয়ে শরীর হয়ে ওঠে ঝরঝরে।

৫. প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং বিশেষ করে ফ্যাট কম খাওয়ার ফলে ওবেসিটি কমে যায়। যারা অতিরিক্ত মেদের সমস্যায় ভুগছেন তারা ওজন কমাতে এই ডায়েটের সাহায্য নিতে পারেন।

৬. লিক্যুইড ডায়েট গরমেও অ্যালকালাইন পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে শরীর কখনোই পানির ঘাটতি দেখা দেয় না। ত্বক থাকে নরম এবং উজ্জ্বল। অতিরিক্ত তৈলাক্তভাব কমে যায়।

৭. তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যা কমে। আর আপনি থাকেন এনার্জিতে ভরপুর।

এতো সুবিধা থাকা সত্ত্বেও লিক্যুইড ডায়েট সপ্তাহে এক-দুই দিনের বেশি না খাওয়াটাই উচিত। কারণ কোনও কিছুই তো অতিরিক্ত ভালো নয়। এই ডায়েটেরও সাইড এফেক্ট রয়েছে। শুধুই লিক্যুইড ডায়েট শরীরকে দুর্বল করে দিতে পারে। তাই লিক্যুইড ডায়েট নেয়ার আগে অভিজ্ঞ চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন। 

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71