বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯
বুধবার, ১১ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের ছুটিও অগ্রাহ্য কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত এনজিওরা
প্রকাশ: ০৩:৫৪ pm ১৯-০৩-২০১৯ হালনাগাদ: ০৩:৫৪ pm ১৯-০৩-২০১৯
 
কক্সবাজার প্রতিনিধি
 
 
 
 


কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত বেশ কয়েকটি এনজিও’র বিরুদ্ধে (বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা) বাংলাদেশের জাতির পিতার জন্ম বার্ষিকীর সরকারি ছুটিরও তোয়াক্কা না করার অভিযোগ উঠেছে। এসব এনজিও রবিবার যথারীতি অন্যান্য দিনের মত রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করেছে। বাংলাদেশের স্থপতি এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিন-জাতীয় শিশু দিবস হিসাবে দিবসটি সরকারি ছুটির দিন। জাতির জনকের ৯৯ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিন সত্বেও রোহিঙ্গা শিবিরে এনজিওগুলোর স্বাভাবিক কাজ কর্ম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের জাতির পিতার জন্ম বার্ষিকী তথা জাতীয় শিশু দিবসের ছুটির দিনে দেশের মানুষের রয়েছে অন্যরকমের আবেগ-ভালবাসা। এমন দিনের সরকারি ছুটি নিয়ে এনজিওগুলোর নেতিবাচক কর্মকান্ড রীতিমত প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এছাড়াও এনজিওগুলো বাংলাদেশে অবস্থান করে বাংলাদেশের আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধা না জানানোয় এসব এনজিওগুলোর প্রতি এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে।  

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, রবিবার সরকারি ছুটির দিনেও অন্তত ১৫ টি এনজিও যথারীতি রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করেছে। এসব এনজিও’র মধ্যে খোদ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসি) পর্যন্ত রয়েছে। সরকারি ছুটি অমান্য করে রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করা অন্যান্য যেসব এনজিও’র নাম জানা গেছে, সেগুলো হচ্ছে যথাক্রমে একটেড, টিডিএইচ, অক্সফাম, মুক্তি, পিএইচডি ও হোপ ফাউন্ডেশন। এসব এনজিও’র মধ্যে একটেড নামে কোন এনজিও এ পর্যন্ত রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করার অনুমতি প্রাপ্তও হয়নি। তারপরেও এনজিওটি নানাভাবে শিবিরে গোপনে কাজ করছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফ্রান্স ভিত্তিক একটেড নামের এই এনজিওটি কাজ করছে সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক হেলভেটাস নামের অন্য একটি এনজিও’র সাথে। তবে রবিবার ছুটির দিনেও শিবিরে কাজ করার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন একটেড এনজিও’র তিনজন কর্মী। নাম জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে এই তিন কর্মী বলেন-‘আমরা এখনো সরকারি অনুমতি পাইনি। তবে আমরা কাজ করছি মাদার এনজিও হেলভেটাস’র সাথে। সুইজারল্যান্ডের এনজিও হেলভেটাসকে আমরা রবিবার বাংলাদেশের জাতির জনকের জন্মদিনের ছুটির কথা বার বার বলেছি কিন্তু তারা ছুটি মানতে নারাজ।’বিডিআরসি’র সমন্বয়কারি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, রোহিঙ্গা শিবিরে রবিবার জাতিসংঘের একজন পদস্থ কর্মকর্তা পরিদর্শন করেছেন। তাই ওই কর্মকর্তা যে শিবির পরিদর্শন করেছেন সেখানেই তাদের কর্মকান্ড ছিল। 

মুক্তি এনজিওটির কর্মকর্তা পুলক চৌধুরীও স্বীকার করেছেন, গতকাল সরকারি ছুটির দিনেও এনজিওটির কর্মকান্ড চালু ছিল রোহিঙ্গা শিবিরে। আরো অনেকগুলো এনজিও যথারীতি কাজ করেছে সরকারি ছুটিকে তোয়াক্কা না করেই। 

এনজিওগুলোর স্থানীয় কর্মীরা দুঃখের সাথে বলেছেন, রবিবার দিনটি তাদের জন্য ছিল অন্যরকমের একটি দিন। অনেক এনজিও কর্মী তাদের ছুটি কাটিয়ে নানা ভাবে দিবসটি উদযাপন করতে চেয়েও এনজিওর কাজের কারনে তা সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এনজিও শাখার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেছেন-‘এনজিওগুলো বাংলাদেশে যেহেতু কাজ করছে সেহেতু এদেশের প্রচলিত আইন তারা মানতে বাধ্য। তবুও অভিযোগটি যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

নি এম/চঞ্চল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71