সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
সোমবার, ৪ঠা পৌষ ১৪২৪
 
 
এ প্রজন্মের বাংলাদেশীরা আমার সন্তানের মতো : কৈলাস
প্রকাশ: ০৮:৩৪ pm ৩১-০৫-২০১৫ হালনাগাদ: ০৮:৩৪ pm ৩১-০৫-২০১৫
 
 
 


নিজেস্ব প্রতিবেদক : নোবেলজয়ী কৈলাস সত্যার্থী বলেছেন, ‘আমি এবারই প্রথম বাংলাদেশে আসিনি। ৩০ বছর আগে প্রথম এ দেশে এসেছিলাম, তখন আজকের এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেরই জন্ম হয়নি। তাই এ প্রজন্মের বাংলাদেশীরা আমার সন্তানের মতো। আমি তাদের সন্তানের মতোই ভালবাসি।’
রাজধানীর আগারগাঁও এলজিইডি মিলনায়তনে রবিবার দুপুরে ‘রাইট টু এডুকেশন’ শীর্ষক এক জাতীয় কনফারেন্সে তিনি এ সব কথা বলেন।
কৈলাস বলেন, বাংলাদেশকে দেখে আমি মুগ্ধ হই। দরিদ্রতাসহ অন্যান্য সমস্যা যেভাবে দেশটি কাটিয়ে উঠেছে তা আমাকে উৎসাহিত করে। এ দেশের তরুণরা অনেক এ্যাকটিভ, ডায়নামিক।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা সমাজের বহুমুখী বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাইট টু এডুকেশন আসলে শিক্ষার গ্যারান্টি প্রদান। অন্তত ১৬ বছর পর্যন্ত সবাইকে শিক্ষার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। তবে অবশ্যই সে শিক্ষা হতে হবে কোয়ালিটিসম্পন্ন।
বাল্যবিয়ের ব্যাপারে এ নোবেল বিজয়ী বলেন, গোটা দক্ষিণ এশিয়ায়ই বাল্যবিয়ে একটি সমস্যা। বাংলাদেশেও যার প্রভাব রয়েছে। আমি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বিয়ের ব্যাপারে আমার সমর্থন ব্যক্ত করলাম।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা। তিনি বিশ্বে বাংলাদেশকে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দেশে রূপান্তরিত করতে দক্ষতার সঙ্গে চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছেন। এটি একটি ছোট বিষয় কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করছি তিনি সামাজিক বিষয়েও গুরুত্ব প্রদান করবেন, যাতে করে বাল্যবিয়ে রোধ করা সম্ভব হবে। আর অবশ্যই প্রতিটি শিশুকে শিক্ষা প্রদান করতে হবে, কাউকে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
কৈলাস সত্যার্থী বলেন, শিক্ষায় বাজেট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফলে শিক্ষায় অর্থায়নকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় উন্মাদনাও আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আর যখন এর সঙ্গে তরুণরা জড়িয়ে পড়ে তখন তাকে আরও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে মোকাবেলা করতে হবে। পাশাপাশি নতুন চিন্তার উদ্ভাবন ঘটাতে হবে, যা একটি বৈশ্বিক দায়িত্ব।
তিনি বলেন, শিক্ষায় উন্নতি ছাড়া বাংলাদেশের ২০২১ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। এ জন্য যথাযথ কারিকুলাম, কোয়ালিটি নিশ্চিত করা, অর্থায়নকে গুরুত্ব দিতে হবে। আর শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় নয়, সব ধরনের বিভাগের মধ্যে আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় ঘটাতে হবে। কারণ শিক্ষার লক্ষ্যপূরণে যেমন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত তেমনি পরিবেশ নিশ্চিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও ভূমিকা থাকে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সমতার দিকেও জোর দিতে হবে। সেক্ষেত্রে নারীর অগ্রগতি ছাড়া সমতা অর্জন কঠিন। তাই কেবল শিক্ষা নয়, সামাজিক সবক্ষেত্রেই সমতা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি শিক্ষায় নৈতিকতা নিশ্চিত করতে হবে।
ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশন ও পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ, কাজী রফিকুল আলম, রাশেদা কে চৌধুরী প্রমুখ।
এইবেলাডটকম/এসএম
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
Loading...
 
 
 
Loading...
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক: সুকৃতি কুমার মন্ডল

Editor: ‍Sukriti Kumar Mondal

সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন # sukritieibela@gmail.com

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

   বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ:

 E-mail: sukritieibela@gmail.com

  মোবাইল: +8801711 98 15 52 

            +8801517-29 00 01

 

 

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71