রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯
রবিবার, ২রা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
পিরোজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার এর বিরুদ্ধে অনৈতিক ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী কর্মকান্ডের অভিযোগ 
প্রকাশ: ০৫:১০ pm ২৫-০২-২০১৯ হালনাগাদ: ০৫:১০ pm ২৫-০২-২০১৯
 
পিরোজপুর প্রতিনিধি
 
 
 
 


ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পিরোজপুর শাখার একজন প্রোগ্রাম অফিসারের বিরুদ্ধে অনৈতিক ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী কর্মকান্ড সহ প্রতিষ্ঠানে নারী সহায়তাকারীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ পিরোজপুর এপি এর প্রোগ্রাম অফিসার জুলিয়ান সনজিত সরকার এর  বিরুদ্ধে এ সময় বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের প্রধান শাখায় প্রেরণ করা হয়েছে। 

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সাল থেকে পিরোজপুরে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠি, নিপিরিত শিশুদের ভাগ্য উন্নয়ন এবং সামাজিক বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ সম্মানের সাথে করে আসছিল। তবে বেশ কিছুদিন যাবত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ পিরোজপুর এপি এর প্রোগ্রাম অফিসার জুলিয়ান সনজিত সরকারের বিভিন্ন অনৈতিক ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী কর্মকান্ড, প্রতিষ্ঠানে নারী সহায়তাকারীদের হয়রানীর মূলক কাজের জন্য স্থানীয় ভাবে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন কাজ নানা ভাবে প্রশ্ন বিদ্ধ হচ্ছে। অফিসের বাহিরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার আচারন ও অশ্লিল ব্যবহার সাধারণ মানুষের কাছে এ প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। এছাড়া ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ পিরোজপুর এপিতে কর্মরত নারী সহায়তাকারীদের প্রোগ্রাম অফিসার জুলিয়ান সনজিত সরকার নানা ভাবে উতক্ত করে আসছে। নারী সহায়তাকারীদের তাদের নামে না ডেকে বিভিন্ন  অনুষ্ঠানের সময় বণ্টু, পল্টু, সুন্দুরী, সাথী, সখী ইত্যাদি নামে ডাকে এবং বিভিন্ন সময় তাদের অনুমতি না নিয়েই মোবাইল ফোনে তাদের ছবি তুলে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে মেয়েদের দিয়ে কাজের নামে বেশি সময় ধরে বসিয়ে রেখে কাজের বাইরে বিভিন্ন কথা বলা। 
তাই প্রোগ্রাম অফিসার জুলিয়ান সনজিত সরকারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সমূহ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানান অভিযোগকারীরা। 

তবে অভিযোগের বিষয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ পিরোজপুর এপি এর প্রোগ্রাম অফিসার জুলিয়ান সনজিত সরকারের সাথে যোগাযোগ করে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

সীমান্তে নজর রাখতে পাকিস্তানে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেল
 
জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হানায় ৪০ জনের বেশি সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর পরে সেনাবাহিনীকে ফ্রি হ্যান্ড দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেনাবাহিনী নিজেরাই স্থির করবে, যারা ওই হামলার জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেল গঠন করেছে পাকিস্তান। সীমান্তে কী পরিস্থিতি রয়েছে, কোন দেশ পাকিস্তান সম্পর্কে কী বলছে, সবকিছুর ওপরে নজর রাখবে এই সেল। ঠিক সময়ে তথ্যগুলি জানিয়েও দেবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলিকে। সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা ধরে সেল কাজ করবে। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ ফয়জল একথা জানিয়েছেন।

ভারত থেকে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক ও অন্যান্য সব উপায়ে পুলওয়ামার হানার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, পাকিস্তান ভারতের এই হুমকিকে মোটেই ফাঁকা আওয়াজ বলে মনে করছে না। সেজন্যই তৈরি করেছে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেল। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছেন, আসুন, আমরা শান্তির পথে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। কয়েকদিন আগেই তিনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছিলেন, পাকিস্তানে হামলা করতে এলে উপযুক্ত জবাব পাবে ভারত। কিন্তু পরে বলেছেন, আমি কথা দিচ্ছি, ভারত যদি প্রমাণ দিতে পারে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেব। কিন্তু রাতারাতি তিনি সুর নরম করেছেন।

শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগে জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদের সদর দফতরের দখল নিয়েছে পাকিস্তানের পুলিশ। ওই সদর দফতর ছিল বাহাওয়ালপুরে। জইশের সর্বোচ্চ নেতা মৌলানা মাসুদ আজহারও সেখানে থাকেন। তাঁর কী হল, তা জানা যায়নি। পুলওয়ামা হানার জন্য জইশকেই দায়ী করা হচ্ছে। তারা নিজেরাও এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরও অনেক দেশ। যদিও দুই দেশের কেউ পরমাণু বোমা ব্যবহার করবে বলে মনে করেন না অনেকেই।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরমাণু যুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন একনায়ক পারভেজ মুশারফও। গত রবিবার তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ফের বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছে। তবে পরমাণু যুদ্ধ হবে না। আমরা যদি একটি পরমাণু বোমা ফেলি, তারা ২০টি পরমাণু বোমা ফেলতে পারে। এর একটাই সমাধান আছে। আমরা যদি শুরুতেই ভারতে ৫০ টি পরমাণু বোমা ফেলতে পারি, তাহলে ওরা আর ২০ টি বোমা নিয়ে আক্রমণ করতে পারবে না। এরপর পাকিস্তানের উদ্দেশে মুশারফ প্রশ্ন করেন, তোমরা কি শুরুতেই ৫০ টি পরমাণু বোমা নিয়ে আক্রমণ করতে প্রস্তুত আছ?

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, পরমাণু যুদ্ধ তো নয়ই, ভারতের বিরুদ্ধে সাধারণ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করারও ক্ষমতা নেই পাকিস্তানের। সেদেশে এমনিতেই এখন প্রবল আর্থিক সংকট চলছে। বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে কোনরকমে সরকার চালাচ্ছেন ইমরান। এই অবস্থায় যদি ভারতের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়, তাহলে অচল হয়ে পড়বে পাকিস্তানের অর্থনীতি। ইমরানের পক্ষে গদি বাঁচানো মুশকিল হয়ে উঠবে।

নি এম/তামিম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71