সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭
সোমবার, ৮ই কার্তিক ১৪২৪
সর্বশেষ
 
 
আত্ম-মানবতায় অবদান রেখে চলেছে চাঁদপুরে'র প্রভাত সমাজ কল্যাণ সংস্থ্যা
প্রকাশ: ০৪:৩৩ pm ২৮-১২-২০১৬ হালনাগাদ: ০৪:৩৩ pm ২৮-১২-২০১৬
 
 
 


ডেস্ক নিউজঃ  "ষড় ঋতুর দেশ আমার প্রিয় বাংলাদেশ"। ছয়টি ঋতুর সংমিশ্রণে আমাদের প্রকৃতি নানা রুপে সজ্জিত হয়।

শীত আমাদের ঋতু বৈচিত্রের এক অপরুপ নিদর্শন। শীত অনেকের কাছে যেমন প্রিয় তেমনি কারো কাছে অস্বস্থি,কষ্টে'র কারন হয়েও দাড়ায়।

আমাদের দেশে একটা মুষ্টিময় শ্রেণী দারিদ্রপীড়িত।এদের বেশীর ভাগের'ই শীতের পোশাক কেনার ক্ষমতা থাকে না।

 

"পৃথিবী'র ২০ ভাগ অর্থ যদি মুষ্টিময় ব্যক্তির কাছে না থেকে দরিদ্র লোকের কাছে থাকতো, তবে পৃথিবীর কেউ'ই কষ্টে থাকতো না।"

উন্নয়নশীল দেশ আমাদের বাংলাদেশ।বাংলাদেশে এখনো অনেক লোক দারিদ্রতা'র পোর্ষাঘাতে ধুঁকে, ধুঁকে মরছে।সরকার যদিও দারিদ্র বিমোচনে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে কিংবা কার্যপরিচালনা করছে, তবু দারিদ্রতা দূরীভূত করতে সরকারে'র পাশাপাশি বিভিন্ন সেবা মূলক সমাজকল্যাণ সংগঠন এগিয়ে আসছে।

আমাদের দেশে শীত কালে দরিদ্র মানুষগুলো নিদারুন কষ্ট সহ্য করে বেঁচে থাকে।এ সময় সরকারে'র পাশাপাশি বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থ্যা ও এগিয়ে আসে দরিদ্র মানুষের শীতের কষ্ট লাঘব করার জন্য।

সেচ্ছাসেবী এসব প্রতিষ্ঠান অসহায় মানুষদের পাশে নিজেদের সেবার হাত বাড়িয়ে দেয়।তেমন'ই এক সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের খবর পায় (ব্লগ.বিডিনিউজ২৪ কম) আমরা।

২০১৪ সালে জানুয়ারী মাস থেকে অসহায় শীতার্ত মানুষকে বস্ত্রদান করে আসা সেচ্ছাসেবী সংগঠন "প্রভাত কল্যাণ সংস্থ্যা।

সংস্থ্যাটির প্রধান নির্বাহী শাহাদাত পাটওয়ারী  ব্লগ.বিডিনিউজ২৪ কে বলেন, অসহায় মানুষদের পাশে সেবার হাত বাড়িয়ে দিতে তাদের এ সংস্থ্যা দিন-রাত অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছে।তাদের মূল লক্ষ্য অসহায়ে'র পাশে দাড়ানো।

শীতে দরিদ্র মানুষ গুলোর খুবই কষ্ট হয়।তার'ই ধারাবাহিকতায় স্বল্প পরিসরে কয়েক'শ মানুষকে কম্বল প্রদান করে তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘবে সহায়তা করে চলেছে তাদের প্রতিষ্ঠান প্রভাত।

তাদের এ কার্যক্রমটি ঢাকা,চাঁদপুর সরকারী কলেজ ও হাজীগঞ্জ শহরে চালু রয়েছে।পর্যায়ক্রমে চাঁদপুরে'র প্রত্যান্ত অঞ্চলেও সেবার হাত বাড়িয়ে দিতে তিনি দৃঢ় প্রত্যেয়ী।

প্রভাত সংস্থ্যার রয়েছে "প্রভাত আনন্দ স্কুল নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।যেখানে খোলা আকাশের নিচে, বস্তিতে অসহায়,দরিদ্র,বঞ্চিত পথ শিশুদের বিনামূল্যে অক্ষর দান করা হয়।

প্রভাত স্কুলটি গড়ে তুলতে কাজ করছেন একঝাঁক মেধাবী সেচ্ছাসেবক তরুন-তরুনী।শিক্ষার আলো সমাজে জাগ্রত করতে তাদের অসামান্য অবদান অনস্বীকার্য।

তবে তাদের এ স্কুল প্রতিষ্ঠান, সেবা প্রদানে রয়েছে নানা সমস্যা।অর্থের অভাবে অনেক সময় ভাল কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে এই সেচ্ছাসেবী সংগঠনটির।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে নিবন্ধন পায় প্রভাত কল্যাণ সংস্থ্যাটি।তার কোড নং- ঢ-০৯১৩০।
এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় থেকে ও নিবন্ধন পায় সংস্থ্যাটি যার কোড নং- যুউঅ/ঢাকা-৯০২/২০১৬।

স্কুল-কলেজ পড়ুয়া এসব শিক্ষার্থী নিজের জমানো টাকা ব্যয় করছে পথশিশুদের জন্য। তাদের প্রত্যাশা প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে তারা আরো এগিয়ে যেতে পারে সামনে।

হাসি ফুটাতে পারবে পথ শিশুদের মুখে। বিত্তবান শ্রেণীর লোকদের ও এগিয়ে আসা উচিত এসব ছিন্নমূলে বেড়ে উঠা শিশুদের জন্য।

 

এইবেলাডটকম/রিফাত/গোপাল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
Loading...
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Loading...
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক: সুকৃতি কুমার মন্ডল

Editor: ‍Sukriti Kumar Mondal

সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন # sukritieibela@gmail.com

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

   বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ:

 E-mail: sukritieibela@gmail.com

  মোবাইল: +8801711 98 15 52 

            +8801517-29 00 01

 

 

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71