মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭
মঙ্গলবার, ৪ঠা মাঘ ১৪২৩
সর্বশেষ
 
 
বাজারে মৌসুমী সবজি,  জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা
প্রকাশ: ০৪:৩১ pm ২৫-১২-২০১৬ হালনাগাদ: ০৪:৩১ pm ২৫-১২-২০১৬
 
 
 


সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ অগ্রহায়নের শেষে পৌষের প্রথেম এসে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে শীত পড়তে শুরু করেছে।

শহরতলী বা শহরের বাইরে এর কিছুটা অনুভব করা গেলেও শহরের মানুষ গুলের বুঝতে পারছে না।  শীতের সাথে সকালের শিশির নতুন তরকারি বা সবজির জন্য খুব উপকারী।

এরই মধ্যে কিছু কিছু শীতকালীন সবজি বাজারে বিক্রি শুরু করেছে। তবে সেসব সবজি এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের অনেকটা বাইরে। এই সময়ে এসে বাজারে সবজির দাম কিছুটা চড়া থাকায় ক্রেতাদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আর বিক্রেতারা বলছেন, দাম খুব একটা বেশি হয়নি। মূলত যেসব সবজির যোগান কিছুটা কম সেগুলো হাল্কা দাম বেড়েছে। এর বাইরে কিছু সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে। নুতন সবজি এখন যেভাবে আসার কথা ঠিক সেভাবে বাজারে আসেনি। এজন্য আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

শীতের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে নানান রকমের সবজি। আর তাই আমাদের কাছে শীতের সবজির রয়েছে আলাদা এক মাত্রা। শীতের আগমনী বার্তা পাবার সাথে সাথেই নানান রকমের সবজিতে ভরে ওঠে মাঠ।

কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন লাউ, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ হরেক রকমের সবজির চাষ নিয়ে। এসময় চারদিকে আয়োজন চলে সবজি চাষের। বিশেষকরে শীতকালীন সবজি নিয়ে মাঠে মাঠে ভোর থেকে ব্যস্ত সময় কাটান সবজি চাষীরা।

একটা সময় ছিলো যখন কৃষকদের পাশাপশি প্রায় বাড়িতে নানান ধরণের সবজির চাষ হতো। গৃহিনীরা তাদের দৈনন্দিন অন্য কাজের সাথে শীতের সময় ঘরের পাশে মাচাং বেধে শীম, লাউ আর শাকসবজির চাষ করতেন। মূলত শখ আর কিছুটা টাটকা সবজির স্বাদ নিতেই তাদের এ আয়োজন।  

সময়ের বাস্তবতায় এখন আর চেহারা এখনো বেলকুচির চরাঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলে কিছুটা হলেও আছে। বেলকুচি পৌর মুকুন্দগাঁতী বাজার এবং সকাল ৮টার বাজার চালা গ্যারেজে কাচা বাজারে নতুন নতুন কিছু মৌসুমী সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে।

তবে দাম কিছুটা বেশি ছিলো ধীর গতিতে এখন কমতে শুরু করেছে। নতুন সবজির মধ্যে লালশাক, কপি, শিম, নতুন আলু, টমেটোবাজারে এসেছে । এর বাইরে মুলা, চিচিঙ্গা, করলা, গাজর এসেছে বেশ কিছুটা আগে থেকে।

বাজারে লাল শাক আটি প্রতি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ টাকা। যা গত সাপ্তাহে ছিলো আট থেকে দশটাকা। নতুন লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা। যা গত সাপ্তাহে ছিলো ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

বেগুন বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিলো কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৫৫। শিমের দাম কিছুটা কমে দাড়িয়েছে কেজি প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। যা গত সাপ্তাহে ছিলো ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বরবটি আটিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০। নতুন আলু কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০টাকা। ধনে পাতার দাম কমেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কৃষক বাঁচলে মানুষ বাঁচবে। কৃষি প্রধান দেশে এই বাংলাদেশ। কৃষকরা যদি মৌসুমী সবজির দাম বেশী পায় তাহলে বাংলাদেশ অচিরেই এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সবজি গ্রাম-গঞ্জ থেকে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে কৃষি সম্প্রসার অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়।

 

এইবেলাডটকম/চন্দন/গোপাল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

News Room: news@eibela.com, info.eibela@gmail.com, Editor: editor@eibela.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71