eibela24.com
বুধবার, ২৪, মে, ২০১৭
 

 
অবহেলা অযত্নে পূর্ণতা পাচ্ছে না শেরপুরের মধুুটিলা ইকোপার্ক
আপডেট: ০৭:৪৪ pm ১১-০১-২০১৭
 
 


শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার সর্ববৃহৎ বিনোদন কেন্দ্র নালিতাবাড়ীতে অবস্থিত মধুটিলা ইকোপার্কে অবহেলা অযত্নে পূর্ণতা পাচ্ছে না। এতে কমে আসছে পর্যটকদের ভীড়। ফলে সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আয়। 

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে ময়মনসিংহ বন বিভাগের আওতায় ৩৮৩ একর জায়গায় ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যায়ে উপজেলার পোঁড়াগাও ইউনিয়নের পাহাড় ও উঁচু নিচু টিলা ঘিরে মধুটিলা ইকোপার্কের কাজ শুরু হয়।

দ্বিতীয় পর্যায়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের আরও কিছু কাজ করা হয়। তবে তৃতীয় ধাপে আরো কিছু উন্নয়ণের পরিকল্পনা থাকলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

সম্প্রতি পার্ক ঘুরে দেখা যায়, শীতের এই মৌসুমে মধুটিলা ইকোপার্ক পর্যকদের ভীড়ে মুখরিত হওয়ার কথা। বরাবরের ন্যায় এ বছর চিত্রটা একটু ভিন্ন রুপ নিয়েছে।

পর্যটকদের নেই তেমন ভীড়। পার্কের ভেতরে দোকানীরা বিভিন্ন জিনিস পত্র নিয়ে অলস সময় পাড় করছেন। নেই তেমন কোন ক্রেতা।

মধুটিলা ইকোপার্কের আরেকটু ভেতররে গিয়ে দেখা যায় হাতি, কুমির, বাঘসহ নানা ভাস্কর্যের রং উঠে গেছে। লেকের পাড়ে অকেজো প্যাডেল বোট পড়ে। লেকে নেই তেমন পানি।

আরেকটু সামনে গেলে চোখে পড়বে শিশু পার্ক। শিশুপার্কেও বাহির থেকে আচ করা না গেলেও, শিশুপার্কের ভেতরে নেই তেমন কোন খেলনা বা রাইড। 

অপরদিকে, নাম মাত্র রয়েছে মিনি চিরিয়াখানা। দুইটা হরিণ ছাড়া নেই তেমন কোন আর্কষণীয় প্রাণি। পার্কটির চারদিকে বাউন্ডারির কিছু আংশে দেয়াল থাকলেও বেশির ভাগ এলাকায় খোলা।

ফলে পার্কের ভেতর ছিনতাইকারী, গরু, ছাগল প্রবেশ করছে অনায়াসে। তাছাড়া গেল বছর মধুটিলা ইকোপার্কের আশে পাশে হত্যাকান্ড, ছিনাতাইসহ বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটার পর থেকে জননে একটু আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

মধুটিলা ইকোপার্কে ঘুরতে আসা পর্যটক রফিক আহমেদ বলেন, আমি এর আগেও আরো বেশ কয়েকবার এখানে এসে ছিলাম। কিন্তু এবছর ইকোপার্কের অবহেলার চিত্র দেখে একটু হতাশ হয়েছি। হয়তো এই কারণেই পর্যটক কম আসছে। 

পার্কের ভেতরের দোকানী সেকান্দার মিয়া বলেন, এবছর তুলনামূলকভাবে বেচাকেনা কম হচ্ছে। গত বছর পার্কের আশে পাশে হত্যা ও বড় ধরণের ছিনতায়ের ঘটনার ফলে অনেকে  হয়তো ভয়ে কম আসছেন।

ইকো পার্ক রেঞ্জ কর্মকর্তা ইলিছুর রহমান বলেন, এখন থেকে প্রতিবছর সরকারের ২২-২৫ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়। অথচ এখানে কোনো উন্নয়ণমূলক কাজ হচ্ছে  না।

 

এইবেলাডটকম/সানী/গোপাল