eibela24.com
শনিবার, ২৪, অক্টোবর, ২০২০
 

 
চলে গেলেন সংগীত কিংবদন্তী আলাউদ্দিন আলী
আপডেট: ০৯:৪৬ pm ০৯-০৮-২০২০
 
 


চলে গেলেন বাংলা গানের বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রবিবার ৯ (অগাষ্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ইন্তেকাল করেন তিনি।

শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে গেলে শনিবার‍ ভোরে তাঁকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থা বিবেচনা করে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে দেওয়া হয়। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি।

অগণিত জনপ্রিয় গানের প্রখ্যাত এই সুরকার  ফুসফুসের প্রদাহ ও রক্তে সংক্রমণের সমস্যায় ভুগছিলেন দীর্ঘদিন। ২০১৫ সালের ৩ জুলাই আলাউদ্দিন আলীকে প্রথম ব্যাংককে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে তাঁর ফুসফুসে টিউমার ধরা পড়ে। অন্যান্য শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি ক্যানসারের চিকিৎসাও চলছিল। এর আগে বেশ কয়েক দফায় তাঁকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

আলাউদ্দিন আলী বাংলা গান, বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রে অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান সৃষ্টি করেছেন। তিনি একই সঙ্গে সুরকার, সংগীত পরিচালক, বেহালাবাদক ও গীতিকার। গান লিখে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন। পরে ১৯৬৮ সালে বাদ্যযন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রজগতে পা রাখেন। শুরুটা শহীদ আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে, পরে প্রখ্যাত সুরকার আনোয়ার পারভেজের সঙ্গে কাজ করেন দীর্ঘদিন।

এ পর্যন্ত ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এরমধ্যে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার পুরস্কৃত হয়ে সংগীত পরিচালক হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। যে রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি। 

তাঁর সুর করা গানের সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। তাঁর কালজয়ী গানের অন্যতম—ও আমার বাংলা মা তোর, সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি, বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম দেখা পাইলাম না, যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, এমনও তো প্রেম হয় প্রভৃতি।

১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামে আলাউদ্দিন আলীর জন্ম। তার বাবা ওস্তাদ জাদব আলী ও  মা জোহরা খাতুন।

নি এম/