eibela24.com
বৃহস্পতিবার, ১৫, এপ্রিল, ২০২১
 

 
দ্বিতীয় ধাপে ২৭৩ জনের শরীরে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ চীনের
আপডেট: ০৪:৩৯ pm ১৬-০৪-২০২০
 
 


প্রাণঘাতি  করোনাভাইরাসের এখনও কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই বিশ্বজুড়ে হু হু করে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে খুব দ্রুত একটি প্রতিষেধক তৈরির জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন বিজ্ঞানীরা। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী বিভিন্ন প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

করোনার উৎপত্তি হওয়া চীনে করোনার তিনটি প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা চলছে। এরই মধ্যে দেশটির বিজ্ঞানীরা দ্বিতীয় ধাপে মানব দেহে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার ৫০০ স্বেচ্ছাসেবীর মধ্যে ২৭৩ জনের শরীরে করোনার একটি ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করেছে।

চীনের স্টেট কাউন্সিলের জয়েন্ট প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল ম্যাকানিজমের তরফে জানানো হয়, তারা বর্তমানে তিনটি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নিয়ে কাজ করছে।

প্রথম ভ্যাকসিনটির ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা চালানো হয় মার্চের শেষে। তখন সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১২ এপ্রিল দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় ভ্যাকসিনের কার্যকারিতায় জোর দেওয়া হয়েছে। এই ধাপে ষাটোর্ধ্বদের উপর ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে জানান চীনের শীর্ষস্থানীয় এপিডেমিয়োলজিস্ট এবং ভাইরোলজিস্ট চেন ওয়ে।

চেন ওয়ের দাবি, এই ভ্যাকসিনটি মানবদেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করবে। করোনাভাইরাসের ভাইরাল অংশ এস জেনেটিক সিকুয়েন্সের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করবে ভ্যাকসিনটি। একবার ভাইরাস সংক্রমণ হলে, শরীর এই এস জিন এবং পুরো ভাইরাস শনাক্ত করে প্রতিরোধ করবে।

অন্য দু'টি ভ্যাকসিন তৈরি করছে চীনা ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপের উহান ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস ও বেজিং ভিত্তিক সিনোভাক বায়োটেক। এই দু'টি ভ্যাকসিন করোনার নিষ্ক্রিয় অণুজীব দিয়ে তৈরি বলে জানিয়েছে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত সব দেশ মিলিয়ে মারা গিয়েছেন ৬,২৮৪ জন। মোট মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৮৮৪। আক্রান্ত ২০ লক্ষ ৫০ হাজার ৮৫৩। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষের বেশি।

নি এম/