মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭
মঙ্গলবার, ৪ঠা মাঘ ১৪২৩
সর্বশেষ
 
 
কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার
প্রকাশ: ০৫:২২ pm ১০-০১-২০১৭ হালনাগাদ: ০৫:২২ pm ১০-০১-২০১৭
 
 
 


কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তবর্তী বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু’র দুটি পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে টেকনাফে আনসার ক্যাম্প থেকে লুট হওয়া অত্যাধুনিক অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলিসহ তিন জনকে আটক করেছে র‌্যাব-৭।

আটকৃতরা হচ্ছে মূল হোতা খাইরুল আমিন(বড়) ও মাস্টার আব্দুল কালাম আজাদ ও হাসান আহমদ।আটকৃতরা রোহিঙ্গা নাগরিক।উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে টেকনাফের নয়াপাড়া সংলগ্ন শালবন আনসার ক্যাম্প থেকে লুট হওয়া ৫টি অস্ত্র রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আনসার মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটক করা হয়েছে ৮ জনকে। অভিযান শেষে প্রেস ব্রিফিং-এ র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ জানায় ,গত বছরের ১৩ মে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের আনসার ক্যাম্পে হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনার মূল অভিযুক্ত খাইরুল আমিন ও মাস্টার আবুল কালামকে, কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প থেকে গতকাল সোমবার গভীর রাতে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়।

পরে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে রাত থেকে ঘুমধুম সীমান্তের তুমব্রু পাহাড়ে অভিযান চালায় র‌্যাব।এ সময় ৩টি অস্ত্র এবং ৬টি ম্যাগজিন উদ্ধার করে র‌্যাব। পরে পার্শ্ববর্তী আরেকটি পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে আরো ৫টি রাইফেল এবং ১শ' ৮৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১টি এসএমজি,৩টি এম-টু রাইফেল,১টি চাইনিজ রাইফেল,৭টি লুণ্ঠিত ম্যাগজিন,১৮৯টি লুন্ঠিত গুলি, দেশীয় তৈরী ৫টি বন্দুক ও ২৬ রাউন্ড দেশীয় কার্তুজ।

উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলি আনসার ক্যাম্প থেকে লুট হওয়া অস্ত্র বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি'র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান।র‌্যাবের এই অভিযান আরো দু'দিন চলবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক মিফতাউদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ১৩মে ভোরে টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড শরণার্থী ক্যাম্পের পাশের পাহাড় হতে ১৫/২০ জন মুখোশধারী ডাকাত সিওডি ব্লক সংলগ্ন শালবাগান আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায়।

পরে ব্যারাকে ঢুকে আনসার সদস্যদের রশি দিয়ে বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং আলী হোসেন (৫৫) নামে এক আনসার সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে।

নিহত আনসার সদস্যের বাড়ি টাঙ্গাইলের শফিপুরের মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে আলী হোসেন (৫৫)।এসময় হামলাকারীরা ১৫ মিনিটের মধ্যে ওই ক্যাম্পের আনসার বাহিনীর ব্যারাক থেকে ২টি এসএমজি, ৫টি চায়নিজ রাইফেল, ৪টি শটগান ও ৬৭০টি গুলি লুট করে পালিয়ে যায়।

ওই ঘটনায় পরদিন অজ্ঞাতপরিচয় ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে ওই ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। 

জানা গেছে,ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন ডাকাতরা হলেন- চট্টগ্রামে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) নেতা আবদুর রাজ্জাক ও ডি ব্লকের শীর্ষ ডাকাত রফিক, টেকনাফের শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিম ডাকাত, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মোস্তাক, হারুন, নুর আলম, নেজাম, জকির আহমদ, রশিদ উল্লাহ, হাসান, মো. আয়াছ, হোসেন আহমদ, কেফায়েত উল্লাহ, মাস্টার রশিদ,ডা. ইউনুছ, খোরশেদ ও মাহামুদুল হাসান ও কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের খাইরুল আমিন।

 

এইবেলাডটকম/চঞ্চল/গোপাল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

News Room: news@eibela.com, info.eibela@gmail.com, Editor: editor@eibela.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71