সোমবার, ২৭ মার্চ ২০১৭
সোমবার, ১৩ই চৈত্র ১৪২৩
সর্বশেষ
 
 
হিন্দুদের ক্ষয়ে যাওয়া ইতিহাস ’বিক্রমপুরের সোনারং গ্রামের জোড়া মঠ’
প্রকাশ: ০৪:১৩ am ০৯-০১-২০১৭ হালনাগাদ: ০৪:১৩ am ০৯-০১-২০১৭
 
 
 


বিক্রমপুর:: বাংলাদেশজুড়েই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য প্রাকৃতিক আর মনুষ্যনির্মিত দর্শনীয় স্থান।কোনো একসময় যে স্থানটি ছিল অনন্য এক স্থাপত্যিক নিদর্শন, কালের পালা বদলে হয়তো সেখানেই জমে বিস্মৃতির ধুলো। ভাঙন ধরে স্থাপনার প্রতিটি পড়তে। কিন্তু সেই স্থাপনা আর পারিপাশ্বর্িকের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা ইতিহাসটি কিন্তু ঠিকই বহমান থাকে। আর ফেলে আসা সময়ের এমনই কিছু ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে বাংলাদেশের বিক্রমপুর জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে সোনারং জোড়া মঠ। অষ্টাদশ শতাব্দীর স্থাপত্যশৈলীর এক অপূর্ব প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন এ মঠটি কথিত ইতিহাসে জোড়া মঠ হিসেবে পরিচিত লাভ করলেও মূলত এটি জোড়া মন্দির।

মন্দিরের একটি প্রস্তরলিপি থেকে দেখা যায়, সোনারং এলাকার রূপচন্দ্র নামের একজন হিন্দু ব্যক্তি দুই ধাপে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন। এর মধ্যে বড় কালীমন্দিরটি ১৮৪৩ সালে ও ছোট মন্দিরটি ১৮৮৬ সালে নির্মাণ করা হয়। এর মাঝে ছোট মন্দিরটি মূলত শিবমন্দির হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলেই জানা যায়। অন্যদিকে জোড়া মন্দির হলেও দুটি মন্দিরের উচ্চতা ও স্থাপত্য গঠনে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে বড় মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ১৫ মিটার। অন্যদিকে মন্দির দুটির মূল উপাসনালয় কক্ষের সঙ্গে থাকা বারান্দার দৈঘ্র্যের দিক থেকে বড় ও ছোট মন্দির দুটির বারান্দা যথাক্রমে ১.৯৪ ও ১.৫ মিটার। এ ছাড়া মন্দিরের সামনের দিকে রয়েছে বেশ বড় আকারের একটি পুকুর। বড় মন্দিরটি তৈরির সময় এ পুকুরটি তৈরি করা হয়েছিল বলেই ধারণা করা হয়। একসময় মন্দির দুটির বাইরে ও ভেতরের দিক অসাধারণ ও সমসাময়িক কারুকাজে শোভিত হলেও দীর্ঘদিনের অবহেলা আর অযত্নের কারণে সেটি এখন ধ্বংসপ্রায়।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

News Room: news@eibela.com, info.eibela@gmail.com, Editor: editor@eibela.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71