শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭
শুক্রবার, ৫ই কার্তিক ১৪২৪
সর্বশেষ
 
 
সুকান্ত ভট্টাচার্য
প্রকাশ: ১১:২০ am ১৩-০৫-২০১৫ হালনাগাদ: ১১:২০ am ১৩-০৫-২০১৫
 
 
 


পূর্ণিমা চাঁদকে যিনি 'ঝলসানো রুটি' বলে অশ্রুতপূর্ব উপমায় ভূষিত করেছিলেন, 'কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি' বলে চলে গিয়েছিলেন অকালে- সেই কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের আজ প্রয়াণ দিন। জন্ম ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মামাবাড়িতে। পৈতৃক নিবাস বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ার উনশিয়া গ্রামে। তাঁর বাবা নিবারণ ভট্টাচার্য, মা সুনীতি দেবী। সুকান্ত ১৯৪৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন। এ সময় ছাত্র-আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ায় তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে। তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটেছে কলকাতার এক বাড়িতে এবং সেটি এখনো অক্ষত আছে। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সুকান্তের নিজের ভাইয়ের ছেলে। ১৯৪৪ সালে তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। প্রথম রচনা প্রকাশিত হয় ১৯৪৭। মার্ক্সবাদী চেতনায় বিশ্বাসী কবি হিসেবে সুকান্ত কবিতা লিখে বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান করে নেন। রবীন্দ্রোত্তর বাংলা সাহিত্যে অবিস্মরণীয় নাম সুকান্ত ভট্টাচার্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তেঁতাল্লিশের মন্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেছিলেন। তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো : 'ছাড়পত্র', 'পূর্বাভাস', 'মিঠেকড়া', 'অভিযান'. 'ঘুম নেই', 'হরতাল' প্রভৃতি। তবে জীবিত অবস্থায় তাঁর কোনো বই প্রকাশ হয়নি। দল ও সংগঠনের কাজে অমানুষিক পরিশ্রমের ফলে দুরারোগ্য ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মাত্র ২১ বছর বয়সে কলকাতায় মারা যান সুকান্ত।
 
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
Loading...
 
 
 
Loading...
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক: সুকৃতি কুমার মন্ডল

Editor: ‍Sukriti Kumar Mondal

সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন # sukritieibela@gmail.com

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

   বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ:

 E-mail: sukritieibela@gmail.com

  মোবাইল: +8801711 98 15 52 

            +8801517-29 00 01

 

 

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71