সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭
সোমবার, ৮ই কার্তিক ১৪২৪
সর্বশেষ
 
 
মোদী-মমতার উপস্থিতিতে তিস্তার জল গড়ানোর আশায় বাংলাদেশ
প্রকাশ: ১২:১৯ pm ০৬-০৬-২০১৫ হালনাগাদ: ১২:১৯ pm ০৬-০৬-২০১৫
 
 
 


স্টাফ রিপোর্টার:
অতীতে দুই বাংলার মধ্যে বহু আলোচনা হলেও তিস্তা দিয়ে এতটুকুও জল গড়ায়নি৷তবে এবার মোদী-মমতার সফরে তিস্তা সমস্যার নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশবাসী৷ শনিবার বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে ২০ মিনিটের জন্য তিস্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কার্যালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে মূলত ভারত- বাংলাদেশ, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে তিস্তার জল বণ্টন চুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে জানা গিয়েছে। এই বৈঠকেই তিস্তা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করছেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক৷জানা গিয়েছে, দুই প্রধানমন্ত্রীর ইশতেহার স্বাক্ষরের সময় প্রকাশ তা করা হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই বৈঠকে অংশ নিতে পারেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বলেন, ‘আপাতত তিস্তা চুক্তি নেই। তবে আলোচনা চলছে। নরেন্দ্র মোদির এই সফরে তিস্তা চুক্তি হওয়ার কথা ছিল না।’
গত ফেব্রুয়ারিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আশা দিয়েছিলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা এখন হচ্ছে না বলে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। এটা চলমান প্রক্রিয়া। সবকিছু তো রাতারাতি হয় না। মমতা আসছেন আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে জানতে পারবেন।’ ঢাকার দাবী বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে জল সমস্যা সমাধানে মোদি সরকারের আগ্রহ আছে। বিশেষ করে তিস্তার জল বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে জিইয়ে থাকা সমস্যার সমাধান করতে স্বয়ং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তত্ত্বাবধানে উচ্চপর্যায়ের একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে। এই কমিটিতে ভারতের পররাষ্ট্র, জল ও আইন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিসহ একাধিক রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি রয়েছে। তিস্তার উৎপত্তিস্থল থেকে প্রবাহিত জল সিকিমের রাজ্য সরকার ড্যাম ও বাঁধ দিয়ে ধরে রেখে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি সিকিম থেকে তিস্তার জলের একটি অংশ অন্যদিকে প্রবাহিত (ডাইভার্ট) করে বিহার রাজ্যে দেওয়া হয়। যার কারণে পশ্চিমবঙ্গেও তিস্তার জল আসার প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। আর বাংলাদেশও তিস্তার ন্যায্য জল পায় না বলে অভিযোগ। মোদির সরকার চাইছে, সিকিম থেকে প্রবাহিত জল পর্যাপ্ত পরিমাণে পশ্চিমবঙ্গে দিতে, যাতে সেখান থেকে বাংলাদেশের জল পেতে সমস্যা না হয়। অন্যদিকে, সিকিম সরকারকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এই জলের বদলে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
এইবেলা ডট কম/এইচ আর
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
Loading...
 
 
 
Loading...
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক: সুকৃতি কুমার মন্ডল

Editor: ‍Sukriti Kumar Mondal

সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন # sukritieibela@gmail.com

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

   বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ:

 E-mail: sukritieibela@gmail.com

  মোবাইল: +8801711 98 15 52 

            +8801517-29 00 01

 

 

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71