শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০
শুক্রবার, ১৩ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭
সর্বশেষ
 
 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি ট্রাম্প না হন, তবে তার কী প্রভাব পড়বে ভারতে?
প্রকাশ: ১১:১৭ pm ০৫-১১-২০২০ হালনাগাদ: ১১:১৭ pm ০৫-১১-২০২০
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভোটে সরকারিভাবে জো বাইডেনের জয় ঘোষণা এখন সময়ের অপেক্ষা। ভারত এই ভোটে নজর রেখে চলেছে, কারণ দ্বিতীয়বারের জন্য নির্বাচিত হওয়ার লড়াইয়ে নামা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেছিলেন। বাইডেন অবশ্য জানিয়েছেন, তিনিও ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পের রিপাবলিকান প্রশাসেনর সঙ্গে যেমন কাজ করেছেন, তেমনই তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এর আগে বারাক ওবামার ডেমোক্র্যাট প্রশাসনের সঙ্গে। আর আমেরিকায় সরকার পাল্টানো মানেই বিদেশ নীতিতে বিরাট পরিবর্তন হবে এমন কিছু নয়। সুতরাং ট্রাম্পের জায়গায় বাইডেন এলে দিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্কে ইতরবিশেষ হবে না বলেই ধারণা। তবে ডোমোক্র্যাটদের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ভারতীয় বংশোদ্ভূত হলেও কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের পক্ষে, এ নিয়ে ভোটপ্রচারেও বলেছেন। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন তিনি, আবার নাগরিকত্ব আইনের বিপক্ষে।

ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই ইস্যুতে পুরোপুরি ভারতের পক্ষে ছিল। এ ক্ষেত্রে বাইডেন প্রশাসন কী করে তা দেখার। তবে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে চীন-পাকিস্তান উভয় দেশেরই সম্পর্ক ভাল। বিদেশ নীতির ক্ষেত্রে দিল্লি-ওয়াশিংটন কৌশলগত, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত বোঝাপড়া আরও গভীর হবে বলে ধারণা। তবে সেই বোঝাপড়ার গতি কতটা দ্রুত হবে তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।

যদিও ভারতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিককালে বাইডেন চীনের সম্পর্কে কড়া অবস্থান নিয়েছেন, এমনকী চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ঠগ বলেছেন তিনি, লিখিতভাবে বলেছেন, চীন ইস্যুতে আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। ভোট প্রচারেও পরিষ্কারভাবে বলেছেন, ক্ষমতায় এলে তিব্বত ও তাইওয়ান ইস্যুতে কী কী ব্যবস্থা নেবেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে বাইডেন প্রশাসন চীনের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক রাখতে পছন্দ করে, তার প্রভাব পড়বে ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে।

বাণিজ্য নিয়ে কিছু ছোটখাটো ইস্যু থাকলেও ট্রাম্পের আমলে ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যথেষ্ট মসৃণ ছিল। গত ৪ বছরে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বোঝাপড়া দু’দেশের মধ্যে যথেষ্ট বেড়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সম্পর্কের যে উষ্ণতা ছিল তা খুব অল্প রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে দেখা যায়। নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও চীন সম্পর্কে বাড়তে থাকা উদ্বেগ- বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের মতামত এক ছিল, ফলে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে দ্রুত। উল্টোদিকে বাইডেন ও কমলা হ্যারিস উভয়েই বারবার অভিযোগ করেছেন, মোদি হিন্দু জাতীয়তাবাদী নীতি নিয়ে চলেন। অতএব ভারত-মার্কিন সম্পর্কে এর প্রভাব পড়তে পারে। 

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2020 Eibela.Com
Developed by: coder71