বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০
বুধবার, ৬ই কার্তিক ১৪২৭
সর্বশেষ
 
 
পাস হওয়া কৃষি বিলের প্রশংসায় জম্মু-কাশ্মীরের কৃষকরা
প্রকাশ: ১১:৪৩ pm ২৪-০৯-২০২০ হালনাগাদ: ১১:৪৩ pm ২৪-০৯-২০২০
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ভারতীয় সংসদে সদ্য পাস হওয়া কৃষি খাত সম্পর্কিত দুটি বিলের প্রশংসা করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া অঞ্চলের কৃষকরা। তাদের দাবি, এই বিল পাসের ফলে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমবে এবং রাজ্যের কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের নায্যমূল্য পাবেন। 

গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজ্যসভায় কৃষি খাত সংস্কার সম্পর্কিত বিল দুটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

কাঠুয়া অঞ্চলের কৃষকদের বিশ্বাস, পাস হওয়া বিল দুটির ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য শেষ হবে এবং সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হবে।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের সঙ্গে আলাপকালে কাঠুয়ার কৃষক বিদ্যাসাগর শর্মা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, কৃষি সংস্কার বিল দুটি পাসের ফলে কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা সময়ের আগেই পূরণ হচ্ছে।

ওই কৃষক আরও বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বিল দুটি পাস হওয়ায় সেই সময়ের আগেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে। কৃষকরা এখন তাঁদের ফসল সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে বিক্রি করতে পারবেন এবং তাঁদের আয় বাড়বে। বিল পাসের ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যও শেষ হবে।

এলাকার আরেক কৃষক চাতার সিংও শর্মার দাবিকে সমর্থন জানিয়ে বিলগুলোকে স্বাগত জানিয়েছেন। বলেছেন, 'এই বিল পাসের ফলে ৭০ বছর পর কৃষকরা স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমরা ভাবতাম যে সরকার শুধু সেসব বিল পাস করে, যেগুলো শিল্পপতি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের স্বার্থ রক্ষা করে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রথমবারের মতো কৃষকদের নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছেন। এখন আমরা আমাদের উৎপাদিত পণ্য স্বাধীনভাবে বিক্রি করতে পারব।'

কৃষি বিলের প্রতিবাদে যেসব কৃষক আন্দোলন করছেন, তাঁদের সম্পর্কে চাতার সিং বলেছেন, 'বেশির ভাগ কৃষক বিলগুলো পড়েননি এবং এ সম্পর্কে তাঁদের ভুল ধারণা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে ফসলের ন্যূনতম দাম ও ফসল সংগ্রহ অভিযান সরকার চালিয়ে যাবে। ফলে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। এখন আমাদের কাছে বিকল্প আছে, আমরা যাচাই করে আমাদের পণ্য বিক্রি করতে পারব। আমি আন্দোলনকারী কৃষকদের সংবাদ দেখতে এবং বিলগুলো সম্পর্কে পড়তে বলব।'

কাঠুয়ার অপর কৃষক পবন কুমার বলেছিলেন, আমরা জীবনে এই প্রথম শুনেছি যে আমাদের ফসল আমরা যেখানে পছন্দ সেখানে বিক্রি করতে পারি এবং নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করতে পারি। এটি আমাদের জীবনে এখন বড় পরিবর্তন আনবে, যেহেতু আমরা এখন যে দাম চাই তা দাবি করতে পারি। এই বিলের ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের একচেটিয়া ব্যবসার অবসান ঘটবে।'

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2020 Eibela.Com
Developed by: coder71