সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
সোমবার, ১৩ই আশ্বিন ১৪২৭
সর্বশেষ
 
 
তিন মাসেও উদ্ধার হয়নি বটিয়াঘাটার ১০ম শ্রেনীর সংখ্যালঘু ছাত্রী প্রিয়া !
প্রকাশ: ০৪:২৪ pm ১৬-০৪-২০২০ হালনাগাদ: ০৪:২৪ pm ১৬-০৪-২০২০
 
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
 
 
 
 


তিন মাস পুর্বে অপহরণ হওয়া বটিয়াঘাটার ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী (প্রিয়া) এখনও উদ্ধার হয়নি, তার বাবা মা মেয়েকে উদ্ধারে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।

বটিয়াঘাটা খুলনা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের বৃত্তি খলশিবুনিয়া গ্রামের নিতিশ তরফদারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী প্রিয়া তরফদারকে (১৫) অপহরণ করে নিয়ে গেছে সুরখালী ইউনিয়নের বুনারাবাদ গ্রামের মনির শেখের পুত্র কারিমুল শেখ (১৭) সহ ৬ জন মিলে। গত ১৫ ই জানুয়ারি মধ্য রাতে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। কিন্তু প্রায় ৩ মাস অতিবাহিত হলেও প্রিয়ার কোন খোঁজখবর পাইনি তার পরিবার। অন্যদিকে কারিমুলের পক্ষ থেকে মেয়ের পরিবার সংখ্যালঘু হওয়ায় রীতিমতো জীবন নাশের হুমকি প্রদর্শন করে চলছে। সম্প্রতি এক সংবাদ সন্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন অপহৃত প্রিয়ার বাবা নিতিশ তরফদার।

সংবাদ সন্মেলন এবং খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ এর ৩৪/২০২০ নং মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২৫/০১/২০২০ তারিখে নিতিশ তরফদারের মেয়ে মধ্য রাতে তার ঠাকুর মার সঙ্গে বাহিরে যায় কিন্তু পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা বুনারাবাদ গ্রামের কারিমুল, সুখদাড়া গ্রামের কিংকর তরফদার ও রিয়াজ শেখ, বৃত্তি খলশিবুনিয়া গ্রামের পল্লব মন্ডল, মনির শেখ ও সন্জিদ তরফদার মিলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন বিভিন্ন এলাকায় এবং আত্মীয়র বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে কোন খোঁজ না পাওয়ায় গত ১৭ জানুয়ারি বটিয়াঘাটা থানায় এজাহার দায়ের করেন কিন্তু থানার পক্ষ থেকে তেমন কোন সহযোগিতা না পেয়ে গত ১৯/০২/২০২০ তারিখে আদালতে আশ্রয় নেন।

গত ১৯শে ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলমাচ হোসেন মৃধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের (সংশোধিত ২০০৩, ২০০০ এর ৭/৩০ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলাটি এজাহার হিসেবে গন্য করে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

নিতিশ তরফদার বলেন, আজ তিন মাস মেয়েটি অপহরণ হলেও পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে পারিনি এমন কি একটি আসামিকেও পুলিশ আটক করেনি। অন্যদিকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য রীতিমতো আসামীরা চাপ সৃষ্টি করছেন। প্রিয়া পরিবারের বড় মেয়ে হওয়ায় এবং তিন মাস নিখোঁজ থাকায় তাদের সংসারে সবাই পাগল বেশে ঘুরছে এবং বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি চালিয়ে যাচ্ছে। 

সার্বিক বিষয় মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই আলমগীর হোসেন বলেন, মামলাটি দায়িত্ব সবেমাত্র পেয়েছি, ভিকটিম উদ্ধারে জোর তৎপরতা চলছে। আশা করি দ্রুততম সময়ে মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে। এ বিষয়ে অভিযান চলছে। 

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2020 Eibela.Com
Developed by: coder71