রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
রবিবার, ১৪ই ফাল্গুন ১৪২৩
সর্বশেষ
 
 
টয়লেটে মিললো ভয়ঙ্কর অ্যানাকোন্ডা!
প্রকাশ: ০১:৪৮ am ০৭-০১-২০১৭ হালনাগাদ: ০১:৪৮ am ০৭-০১-২০১৭
 
 
 


বিচিত্র সংবাদ ::  সাপ অনেকের কাছেই আতঙ্কের নাম। আর তা যদি ভয়ঙ্কর অ্যানাকোন্ডা হয় তাহলে তো কথাই নেই।

কিন্তু তা যদি টয়লেটে পাওয়া যায় তাহলে? সম্প্রতি এমন এক ঘটনার সাক্ষি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দারা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। অ্যাপার্টমেন্টের টয়লেটের ভেতরেই পাওয়া যায় শিশু অ্যানাকোন্ডাটিকে। বড় অ্যানাকোন্ডা আকারে ৩০ ফুট পর্যন্ত হলেও এ অ্যানাকোন্ডাটি ছিল শিশু। তাই আকার ছিল চার থেকে পাঁচ ফুট। 

যে বৈশিষ্ট্য বাস্তবের অ্যানাকোন্ডাকে অদ্বিতীয় ভয়ঙ্কর করে তুলেছে তা হলো, অ্যানাকোন্ডা কখনোই পোষ মানে না। কোনোভাবেই এ প্রাণীকে পোষ মানানো যায় না। 
আর এ অ্যানাকোন্ডাটি কিভাবে অ্যাপার্টমেন্টের ভেতর এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যানাকোন্ডাটি হয়ত কেউ পোষ মানানোর চেষ্টা করেছিল। আর তাই বাড়িতে এনে রেখেছিল। কিন্তু এটি তো পোষ মানে না। তাই হয়ত পালিয়ে গিয়ে বাথরুমের পাইপের ভেতর দিয়ে তাদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতর হাজির হয়েছে। 
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার প্রাণী উন্নয়ন কর্মীরা একটি ফোন পেয়ে অ্যানাকোন্ডাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। প্রাণী উদ্ধার বিশেষজ্ঞ চেলসিয়া লিন্ডসে এ বিষয়ে বলেন, এটি হয়ত কারো পোষা থাকার পর পরিত্যক্ত কিংবা কারো বাড়ি থেকে পালিয়ে এখানে চলে এসেছে। তবে তিনি আরও বলেন, এটি খুবই শক্তিশালী। 

অ্যানাকোন্ডা নিয়ে যত উপকথা ও ভয়ংকর গুজব আছে, পৃথিবীর আর কোন প্রাণী সম্পর্কেই সম্ভবত তা নেই। এটি যেন এক অশরীরি কিংবদন্তী। নিঃশব্দ চলাচল, দৈর্ঘ্য, অস্বাভাবিক শক্তি আর অসামাজিক হিংস্র স্বভাব নিয়ে অ্যানাকোন্ডা আমাজনের বাসিন্দাদের কাছে অশুভ এক প্রেতাত্মারই নামান্তর। 

এরা সাধারণত নদী বা জলাভূমির ঘোলা পানিতে বা নদীর নিচের কোন জলজ আগাছা ঘেরা খাদে, দিনের পর দিন লুকিয়ে থাকতে পারে সেখানে। ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করে শিকারের, পানির নিচে দম না নিয়ে থাকতে পারে ১০ মিনিটেরও বেশি, মাথাটা সামান্য জাগিয়ে শিকারের সন্ধানে সাঁতরে বেড়ায়, বেশিরভাগ সময়েই তাই একদম গায়ের কাছে এসে পড়লেও শিকার টেরই পায় না মৃত্যু তার কত কাছে। 

অন্য সাপের তুলনায় ব্যতিক্রম, অ্যানাকোন্ডার দাঁত ২ সারিতে বসানো। ঝাঁপিয়ে পড়ার মুহূর্তেই কামড়ে ধরে শিকারকে যাতে ছুটে না যায়। শিকারকে পেঁচিয়ে ধরে, যতবার আক্রান্ত প্রাণী শ্বাস ছাড়ে ততবারই বাঁধন আরো শক্ত করে শ্বাস নেয়া অসম্ভব করে দেয়, মৃত শিকারকে এরপরে আস্তে আস্তে গিলে খায়।

 

এইবেলাডটকম/নীল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Migration
 
আরও খবর

 
 
 

News Room: news@eibela.com, info.eibela@gmail.com, Editor: editor@eibela.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71