বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৭
বৃহঃস্পতিবার, ৬ই মাঘ ১৪২৩
সর্বশেষ
 
 
জেলে ৩০ বন্দির ভিড়ে ঠাঁই তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের
প্রকাশ: ১২:৪০ am ০৯-০১-২০১৭ হালনাগাদ: ১২:৪০ am ০৯-০১-২০১৭
 
 
 


প্রতিবেশী ডেস্ক: একটা সেলে প্রায় ৩০ জন বন্দি৷ তাদেরই মধ্যে রাখা হয়েছে রোজভ্যালিকাণ্ডে গ্রফতার বাংলা সিনেমার নায়ক তথা তৃণমূল সাংসদ তাপস  পালকে।

মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই ঝাড়পদা জেলে অনেক লোকের মধ্যে অসুস্থ তাপসকে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা-কর্তারা৷

চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে আগে যে-সব হাইপ্রোফাইল মানুষ জেল খেটেছেন তারা কেউই এত বন্দির সঙ্গে একসঙ্গে থাকেননি৷ যদিও কম সংখ্যক বন্দির সঙ্গে তাকে রাখার একটা ভাবনাচিন্তা হয়েছিল৷

কিন্তু তাপসের মানসিক উত্‍কন্ঠা, উদ্বেগ এবং হঠাত্‍ হঠাত্‍ অসুখ নিয়ে চিত্‍কার চেঁচামেচি করে সকলের নজর টানার প্রবণতায় চিকিত্‍সকরাও মনে করছেন, সকলের সঙ্গে থাকাটাই তার পক্ষে ভাল হবে৷ খবর এই সময়ের।

অসুস্থ তাপস পালকে নিয়ে রীতিমতো ব্যতিব্যস্ত ওডিশার কারা-কর্তারা৷ এর আগে গ্রেফতারির পর দু’দফায় ৬ দিন সিবিআই হেফাজতেও তিনি যথেষ্ট বেগ দিয়েছেন গোয়েন্দাদের৷

এবার আবার অসুস্থতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে খাওয়া নিয়ে নিত্য নতুন বায়না৷ জেলের খাবার তার মুখে রুচছে না৷ কিন্তু আদালতের অনুমতি ছাড়া বাইরের খাবার তাকে দিতে নারাজ কারা-কর্তৃপক্ষ৷ তাকে হেফাজতে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারা-কর্তৃপক্ষ বেশ ফাঁপরেই পড়েছেন৷

শ্বাসকষ্টজনিত কারণে শুক্রবার জেল হেফাজতে যাওয়ার পরেই সেখানকার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন রোজভ্যালিতে ধৃত সাংসদ৷ কিন্তু শ্বাসকষ্টের চিকিত্‍সা করার মধ্যেই তার নানাবিধ অসুখের ফিরিস্তি শুনতে হচ্ছে চিকিত্‍সকদের৷

শনিবার বিকেলে মানসিক শান্তির জন্য তাপসকে নিয়ে যাওয়া হয় ভুবনেশ্বরের ক্যাপিটাল হাসপাতালে৷ সেখানে প্রায় ৫০ মিনিট ধরে তার বুকের পরীক্ষা করেন চিকিত্‍সকেরা৷

পরে তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ঝাড়পদা জেলে৷ চিকিত্‍সকেরা জানিয়েছেন, বুকে সংক্রমণের কারণে তার শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়েছে৷ ওষুধ দেওয়া হয়েছে৷ এখন তিনি অনেকটা সুস্থ৷ তাই জেলেই থাকতে পারবেন৷ প্রয়োজনে জেলের হাসপাতালেই তার এই চিকিত্‍সা হতে পারে৷

ক্যাপিটাল হাসপাতালের চিকিত্‍সকরা তো বলেই খালাস! কিন্তু এমন হেভিওয়েট বন্দিকে নিয়ে কী করবেন, কীভাবে তার খাবারের আবদার এবং মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় সামাল দেবেন তা নিয়ে চিন্তিত কারা-কর্মকর্তারা৷

হিন্দি-বাংলা মিশিয়ে তার বলে যাওয়া নানা সমস্যার কথা শুনে ভাঙা বাংলা আর হিন্দিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ওয়ার্ডেনরা তাকে শুশ্রূষার চেষ্টা করেন৷ কারা বিভাগের এক অফিসার বলেন, ‘জেলে আসার পর শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে৷ তাই তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে৷ চিকিত্‍সা করা হয়৷ কিন্তু তিনি হাসপাতাল ছেড়ে আসতে নারাজ৷’

 

এইবেলাডটকম/পিসি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Migration
 
আরও খবর

 
 
 

News Room: news@eibela.com, info.eibela@gmail.com, Editor: editor@eibela.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71