বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
বুধবার, ১৫ই আশ্বিন ১৪২৭
সর্বশেষ
 
 
করোনায় সচেতনতা !
প্রকাশ: ১১:০৮ pm ০৩-০৬-২০২০ হালনাগাদ: ১১:১০ pm ০৩-০৬-২০২০
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


একদিনেই সর্বোচ্চ আক্রান্ত প্রায় ৩০০০? ৫২,৪৪৫ ছাড়ালো আমাদের মোট আক্রান্তের সংখ্যা! (বলে রাখা ভালো এটি সঠিক সংখ্যা নয়)।

আজকে ৩টি আন্তর্জাতিক গবেষণা রিপোর্ট পড়লাম Nature, Lancet, এবং NEJM থেকে। সংক্ষেপে বলছি শুনুন:

১) বাহিরে যাওয়া মাত্র মাস্ক দিয়ে অবশ্যই নাকমুখ ঢেকে নিবেন। হ্যান্ড গ্লাভস দরকার নেই। হাত ধুয়ে নিলেই হবে।

২) আপনার আশেপাশের প্রায় ৮০% উপসর্গবিহীন আক্রান্তরা বিরাট পরিমাণে করোনা ছড়ায়। নিজস্ব শারীরিক শক্তির কারণে তার কিছুই নাও হতে পারে কিন্তু আপনাকে ফেলে দিতে পারে বিপদের মুখে।

৩) ইমিউনো ট্রিটমেন্ট বা প্লাজমা থেরাপি কার্যকর তখনই হবে যখন তাকে পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানসম্মতভাবে দেয়া হবে। এটি দুইভাবে দেয়া যায়। বাংলাদেশে এটার প্রযুক্তি ও ব্যবহার নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সন্দেহ আছে। ভাইরোলজিস্ট এবং ইমিউনোলজিস্ট দুইটি ভিন্ন পেশা। এদের সমন্বয় ছাড়া প্লাজমা থেরাপি হিতে বিপরীত হতে পারে। হচ্ছেও তাই কিছু ক্ষেত্রে।

৪) করোনার বড় ভাইবোন সার্স এবং মার্সের ঠিকা এখনো বের করা যায়নি। ফলে দ্রুত পরিবর্তনশীল এই ভাইরাসটির ঠিকা আসলেই হাতে না আসা পর্যন্ত কিছুই বলা যাবে না।

৫) গরম, ঠান্ডা, বিসিজি, কিংবা অন্যকোন পরিবেশগত ফ্যাক্টর করোনা ছড়ানোর ক্ষেত্রে কী প্রভাব রাখছে সেটা পরিস্কার না।

৬) কোন সুস্পষ্ট ঔষধ নেই এর চিকিৎসায়। লক্ষণ দেখে কিছু কিছু প্রচলিত ঔষধ সেবন করা যায় কিন্তু তাদের প্রভাব এখনো জানা যায়নি। যারা ভালো হচ্ছে তারা পর্যাপ্ত রেস্ট এবং ডাবল খাওয়া দাওয়া করেই ভালো হচ্ছেন।

৭) যারা ভালো হচ্ছেন তাদের সবার এন্টিবডি একই রকম তৈরি হচ্ছে না ফলে তারা আবারো আক্রান্ত হতে পারেন। যে সব দেশ করোনা মুক্ত হয়েছে তারা আবারও আক্রান্ত হতে পারে এবং সেটা আগামী ৮ সপ্তাহ থেকে আগামী দুই বছরের মধ্যে যে কোন সময় হতে পারে।

৮) কোন দেশের একটা বিরাট সংখ্যক জনগোষ্ঠী যদি করোনায় আক্রান্ত হয় সে দেশটি আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে হয়ে বিরাট অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

৯) কষ্ট করে হলেও, ঋণ করে হলেও মানুষ বাঁচাতে হবে। নতুবা একটা ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কাজ করার মানসিকতা ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে একটা বড় সময়ের জন্য।

১০) করোনাভাইরাস মোটেও তার সক্ষমতা হারাচ্ছে না। যা হচ্ছে সেটা হলো তার ক্যাজুয়ালিটি রিপোর্ট হচ্ছে না।

১১) ৯০ বা ১২০ দিনের শক্ত লকডাউন এবং বেশী বেশী টেস্ট করে রোগী আলাদা করাই এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসটি মোকাবিলার প্রধান কৌশল।

১২) বাংলাদেশে বর্তমানে যা হচ্ছে তা একধরণের পাগলামি এবং হযবরল অবস্থা যা আমাদের অন্যান্য ক্ষেত্রেও বিরাজমান। এর ফল দেখব আমরা আগামী কয়েক মাসে।

এই পরিস্থিতিতে আপনার স্বাস্থ্য একদম আপনার হাতেই এখন। যেভাবেই পারেন, যে কোন কৌশলে শুধুমাত্র বেঁচে থাকুন এই বছরটি।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2020 Eibela.Com
Developed by: coder71