বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৭
বৃহঃস্পতিবার, ২রা ভাদ্র ১৪২৪
সর্বশেষ
 
 
আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিতে ৪ সপ্তাহ সময় পেলেন মীর কাসেম আলী
প্রকাশ: ০১:১০ pm ২৮-০৫-২০১৫ হালনাগাদ: ০১:১০ pm ২৮-০৫-২০১৫
 
 
 


নিজস্ব প্রতিবেদক : একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিতে চার সপ্তাহ সময় দিয়েছে আপিল বিভাগ।
 
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বেঞ্চের অপর তিন সদস্য হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
 
আদালত তার আদেশে বলেছে, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয়পক্ষকে আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিল করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে সারসংক্ষেপ দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আপিল শুনানি শুরু হয়ে যাবে।


আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন শুনানি করেন।
 
এর আগে ২২ এপ্রিল মীর কাসেমের আপিলের সারসংক্ষেপ ২০ মের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।  কিন্তু এ সময়ের মধ্যে কোনোপক্ষই দাখিল করতে না পারায় পুনরায় দিন ধার্য করে দেয়া হলো।
 
ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস চেয়ে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করেন মীর কাসেম আলী। তার পক্ষে এ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন এ আপিল দায়ের করেন। ১৮১টি গ্রাউন্ডে কাসেম আলীর খালাস চেয়ে এই আপিল করা হয়।
 
২০১৪ সালের ২ নভেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
 
২০১৩ সালের ১৬ মে প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুমসহ প্রসিকিউশন টিম ১৪টি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার বরাবর দাখিল করেন। এরপর ২৬ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল-১। এরপর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয়।
২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ওপেনিং স্টেটমেন্ট উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু হয়। এরপর ১১ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীকে ১৪টি ঘটনায় অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং ৪টি প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে পারেননি বলে ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ওই দিন বিকেলে মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

এইবেল ডট কম/এইচ আর

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Mr. Helal
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক: সুকৃতি কুমার মন্ডল

Editor: ‍Sukriti Kumar Mondal

সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন # sukritieibela@gmail.com

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

   বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ:

 E-mail: sukritieibela@gmail.com

  মোবাইল: +8801711 98 15 52 

            +8801517-29 00 01

 

 

Copyright © 2017 Eibela.Com
Developed by: coder71